১২:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয়া দুর্গোৎসব


বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মাগুরায় শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পাঁচ দিনের পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা।
বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেবীবরণ,সিঁদুর খেলা,প্রার্থনা ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার শেষে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন করা হয়েছে।

জানা গেছে, মাগুরা জেলার চার উপজেলায় এবার মোট ৬৮৬টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে মাগুরা সদরে ২৩৯টি, শালিখায় ১৬১টি, শ্রীপুরে ১৫৮টি এবং মহম্মদপুরে ১২৮টি মণ্ডপ রয়েছে।

১৬ অক্টোবর শুক্রবার মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে মূল পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও স্থাপন, মহাষ্টমীতে অঞ্জলি ও সন্ধিপূজা এবং মহানবমীতে বিশেষ পূজা ও হোম-যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়।(২১অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে পূজা শেষে দেবীবরণ ও সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে দেবীকে বিদায় জানানো হচ্ছে। পরে বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।

প্রচলিত শাস্ত্রীয় পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোটকে বা ঘোড়ায় এবং গমন নৌকায়। ধর্মীয় বিশ্বাসে দেবীর আগমন ও গমনের বাহনকে ঘিরে বিভিন্ন প্রতীকী ব্যাখ্যা প্রচলিত রয়েছে।
বিজয়া দশমী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তিরম বিজয়ের প্রতীক। দেবীর বিদায়ে ভক্তদের মনে যেমন বিষাদের সুর বাজছে, তেমনি আগামী শরতে আবারও দেবীর আগমনের প্রত্যাশা রয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব; ভক্তদের প্রার্থনা, পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হোক শান্তি,সম্প্রীতি ও মঙ্গল।প

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মহম্মদপুরে মধুমতী নদীতে নৌকাবাইচ, প্রতিযোগিতাও গ্রামীণ মেলা অনুষ্ঠিত

মাগুরায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয়া দুর্গোৎসব

Update Time : ১২:৩০:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬


বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মাগুরায় শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। পাঁচ দিনের পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাবেন ভক্তরা।
বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেবীবরণ,সিঁদুর খেলা,প্রার্থনা ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার শেষে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন করা হয়েছে।

জানা গেছে, মাগুরা জেলার চার উপজেলায় এবার মোট ৬৮৬টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। এর মধ্যে মাগুরা সদরে ২৩৯টি, শালিখায় ১৬১টি, শ্রীপুরে ১৫৮টি এবং মহম্মদপুরে ১২৮টি মণ্ডপ রয়েছে।

১৬ অক্টোবর শুক্রবার মহাষষ্ঠীতে দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্য দিয়ে মূল পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। সপ্তমীতে নবপত্রিকা স্নান ও স্থাপন, মহাষ্টমীতে অঞ্জলি ও সন্ধিপূজা এবং মহানবমীতে বিশেষ পূজা ও হোম-যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হয়।(২১অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে পূজা শেষে দেবীবরণ ও সিঁদুর খেলার মধ্য দিয়ে দেবীকে বিদায় জানানো হচ্ছে। পরে বিভিন্ন স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।

প্রচলিত শাস্ত্রীয় পঞ্জিকা অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার আগমন ঘোটকে বা ঘোড়ায় এবং গমন নৌকায়। ধর্মীয় বিশ্বাসে দেবীর আগমন ও গমনের বাহনকে ঘিরে বিভিন্ন প্রতীকী ব্যাখ্যা প্রচলিত রয়েছে।
বিজয়া দশমী অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভ শক্তিরম বিজয়ের প্রতীক। দেবীর বিদায়ে ভক্তদের মনে যেমন বিষাদের সুর বাজছে, তেমনি আগামী শরতে আবারও দেবীর আগমনের প্রত্যাশা রয়েছে। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব; ভক্তদের প্রার্থনা, পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হোক শান্তি,সম্প্রীতি ও মঙ্গল।প