নিজস্ব প্রতিবেদক,
মানিকগঞ্জে সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ মোড়ে সরকারি অনুমোদন ছাড়াই অভিনব ফিলিং স্টেশন বসিয়ে জ্বালানি তেলের ব্যবস্থা করছেন মেসার্স রাকিব এন্টারপ্রাইজের মালিক মোকছেদ আলী। তেলের ডিসপেনসারে বিএসটিআইয়ের পরিদর্শন স্টিকার না থাকায় অভিযোগ রয়েছে মাপে কারচুপির। এতে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ক্রেতারাও। অগ্নিনির্বাপক ও বিস্কোরক সংস্থার অনুমোদন ও সরঞ্জামাদি না থাকায় আশপাশের জনবহুল এলাকা ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাসিয়ালী হরগজ মোড় সংলগ্ন এলাকায় সিএনজি স্ট্যান্ড ও আবাসিক এলাকায় সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে জ্বালানি তেলের ব্যবসা করছেন মোকছেন আলী। তিনি পানির ট্যাংকে জালানি তেল সংরক্ষণ করে প্লাষ্টিকের পাইপের মাধ্যমে তিনটি ডিসপেনসার ইউনিট বসিয়ে অবৈধভাবে অকটেন, পেট্রোল, ডিজেল,কেরোসিন ও মবিল বিক্রি করছেন। প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স, বিস্ফোরক লাইসেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের অনুমোদন নেই। এছাড়াও ব্যস্ত সড়কের পাশে বিভিন্ন রকমারি দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার। এতে যে কোন সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় শাহাদুরসহ আরও কয়েকজন অভিযোগ করেন,‘ অপরিকল্পিতভাবে এই তেলের পাম্প তৈরি করার কারণে আগেও একবার অগ্নিকাণ্ড ঘটেছিল। স্থানীয়রা ও ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। এতে এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু রহস্যজনকভাবে প্রশাসন নীরব থাকায় আবারও নির্বিঘ্নে তেলে বিক্রি করে আসছেন মোকছেদ। তাছাড়াও তিনি তেল পরিমাপেও কম দেন।
মেসার্স রাকিব এন্টারপ্রাইজের মালিক মোকছেদ আলী সাংবাদিকদের চা নাস্তার দাওয়াত দিয়ে তিনি বলেন, ‘এ পাম্পের ট্রেড লাইসেন্স, বিস্ফোরক, ফায়ার অনুমোদন রয়েছে। আমি নিয়ম মেনেই তেল বিক্রি করছি। পরিমাপে কাউকে তেল কম দেইনি।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইকবাল হোসেন বলেন,‘ আমি সবেমাত্র যোগদান করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা পেলে অবৈধভাবে জ্বালানি তেল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের উপর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
Reporter Name 



















