০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৩০ শতাংশ জমিতে লটকন চাষ করে সফলতা পেলেন (সজীব)।

মানিকগঞ্জ জেলার, সাটুরিয়া উপজেলার,সাভার গ্রামের, মোঃ মাসউদ সাকলাইন (সজীব)। ২০১৯ সালে ৩০ শতাংশ জমিতে চল্লিশটি ভালো জাতের লটকন গাছ রোপন করেন। বাড়ির পাশের ছায়াযুক্ত পরিবেশে সজীব ৪০ টি লটকন রোপন করে পরিচর্যা করতে থাকে। ২০২৪ সালে কিছু গাছে লটকন ফল দেখা যায় এবং ২০২৫ সালে প্রায় বাগানের অর্ধেক গাছেই লটকন ফল ধরে। আশা অনুরূপভাবে ২০২৬ সালে বাগানের সব গাছেই প্রচুর পরিমাণে লটকন ফল ধরেছে। যেহেতু সব গাছে প্রচুর পরিমাণে ফল ধরেছে তাতে করে কয়েক লক্ষ টাকার ফল বিক্রয় করা যাবে। সজীব আরো বলেন ফল পাখার আগেই অনেক পাইকার বাগানে এসে ফল দেখছে এবং দাম দর করছে। কিন্তু সজীব এখনই লটকন ফল বিক্রি করতে চাচ্ছেনা তার সিদ্ধান্ত যেহেতু ফল পাকার জন্য এক থেকে দেড় মাস সময় আছে তখন হয়তো ভালো দামে বিক্রয় করা যাবে।

সজীবের আরো ইচ্ছা, যেহেতু আমার বাগানের ফল দেখতে সাইজে বেশ বড় বড় হয় এবং খেতে সুমিষ্ট ও রসালো। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি লটকন গাছের কলম ছাড়া করে বাজারজাত করণ করব। আমার লটকন গাছের ফলন দেখে আশেপাশের ও অন্যান্য গ্রামের লোকজন কলম চারা নেয়ার জন্য আমাকে উদ্বুদ্ধ করছে। আমি শুধু চারা বিক্রয়ের জন্য নয় বরং মানুষকে বিনামূল্যে চারা দেওয়ার জন্য  কলম চারা উৎপাদন করব। যাতে করে প্রতিটা বাড়িতে লটকন ফল চাহিদা মিটানোর জন্য একটি করে গাছ থাকে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে নতুন মুখ, সভাপতি আচ্ছু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মিলন

৩০ শতাংশ জমিতে লটকন চাষ করে সফলতা পেলেন (সজীব)।

Update Time : ০৪:৩৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

মানিকগঞ্জ জেলার, সাটুরিয়া উপজেলার,সাভার গ্রামের, মোঃ মাসউদ সাকলাইন (সজীব)। ২০১৯ সালে ৩০ শতাংশ জমিতে চল্লিশটি ভালো জাতের লটকন গাছ রোপন করেন। বাড়ির পাশের ছায়াযুক্ত পরিবেশে সজীব ৪০ টি লটকন রোপন করে পরিচর্যা করতে থাকে। ২০২৪ সালে কিছু গাছে লটকন ফল দেখা যায় এবং ২০২৫ সালে প্রায় বাগানের অর্ধেক গাছেই লটকন ফল ধরে। আশা অনুরূপভাবে ২০২৬ সালে বাগানের সব গাছেই প্রচুর পরিমাণে লটকন ফল ধরেছে। যেহেতু সব গাছে প্রচুর পরিমাণে ফল ধরেছে তাতে করে কয়েক লক্ষ টাকার ফল বিক্রয় করা যাবে। সজীব আরো বলেন ফল পাখার আগেই অনেক পাইকার বাগানে এসে ফল দেখছে এবং দাম দর করছে। কিন্তু সজীব এখনই লটকন ফল বিক্রি করতে চাচ্ছেনা তার সিদ্ধান্ত যেহেতু ফল পাকার জন্য এক থেকে দেড় মাস সময় আছে তখন হয়তো ভালো দামে বিক্রয় করা যাবে।

সজীবের আরো ইচ্ছা, যেহেতু আমার বাগানের ফল দেখতে সাইজে বেশ বড় বড় হয় এবং খেতে সুমিষ্ট ও রসালো। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি লটকন গাছের কলম ছাড়া করে বাজারজাত করণ করব। আমার লটকন গাছের ফলন দেখে আশেপাশের ও অন্যান্য গ্রামের লোকজন কলম চারা নেয়ার জন্য আমাকে উদ্বুদ্ধ করছে। আমি শুধু চারা বিক্রয়ের জন্য নয় বরং মানুষকে বিনামূল্যে চারা দেওয়ার জন্য  কলম চারা উৎপাদন করব। যাতে করে প্রতিটা বাড়িতে লটকন ফল চাহিদা মিটানোর জন্য একটি করে গাছ থাকে।