মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলায় নিবন্ধিত জেলেদের জন্য সরকারের বরাদ্দকৃত খাদ্য সহায়তার চাল বিতরণে ওজনে কম দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতি বস্তায় দুই কেজি করে চাল আত্মসাতের এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী জেলেরা।
উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, শিবালয় মডেল ইউনিয়নের ৪০০ জন নিবন্ধিত জেলে পরিবারের পুনর্বাসনের জন্য ১০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি জেলে পরিবারকে ২৫ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা।
বুধবার ০৭ (অক্টোর) ইউনিয়নের ৪, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জেলেদের মধ্যে এই চাল বিতরণ করা হয়। কিন্তু চাল নিতে আসা ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ২৫ কেজির স্থলে তাদের মাত্র ২৩ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী জেলে মো. কুব্বত আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের ২৫ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও মেম্বার আমাদের ২৩ কেজি দিয়েছেন। বাকি চাল সম্পর্কে জানতে চাইলে বলা হয়েছে, ওই চাল অন্য জেলেদের দেওয়া হবে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে চাল বিতরণের কথা থাকলেও, কোনো ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতি ছাড়াই এই চাল বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণে শিবালয় মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলাল উদ্দিন আলাল, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হাবিল উদ্দিন এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যরা অনিয়মের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে শিবালয় মডেল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলাল উদ্দিন আলালের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ওজনে কম দেওয়ার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ ব্যাপারে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মনীষা রানী কর্মকারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি একটি মিটিংয়ে আছি, এ বিষয়ে পরে কথা বলব।”
নিজস্ব প্রতিবেদক : 









