রাজশাহীর তানোরে আদিবাসীরা হামলা উচ্ছেদের আতঙ্কে রয়েছে। ১৭ জানুয়ারি মধ্যরাতে তানোর থানাধীন পাচন্দর ইউনিয়নের গুড়োইল কৃষ্ণপুর, আদিবাসী সাঁওতাল পাড়ায় বরর্বোচিত হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এঘটনায় মোসারুল হক দুখু,মিজান সরকার,বাবুল মৃধা,মো:নাজমুল,মো:জুলফর,মো: বিপ্লব,শরিফুল ইসলাম ভুলু,মো: ভাষার নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে আদিবাসীরা। তাদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ভুলুর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগন্জ। বাবুল মৃধা ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।
এ মামলায় অগ্গাত আশির অধিক আসামি রয়েছে বলে জানা যায়, এখনও আসামীদের গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি, সেখানে সাঁওতাল সম্প্রদায়ের চল্লিশটি পরিবার সাতচল্লিশ বছর যাবৎ বসবাস করে। ভূমিদস্যদের নানা চক্রান্তে ও ষড়যন্ত্রে এখানকার আদিবাসীরা এখনও বিদ্যুৎ থেকে বন্চিত।তারা ভেষ্টেড প্রপারটিতে বসবাস করে। এক হিন্দু জমিদার সম্পত্তি রেখে ভারতে চলে যায়,তখন থেকেই আদিবাসীরা সেখানে বসবাস করে আসছে।
এসম্পত্তির জেরে কোর্টে মামলা চলমান আদিবাসীদের পক্ষে দুটি রায় রয়েছে। ঘটনার দিন বিকেল চারটা নাগাদ নব্বইজন সন্ত্রাসী বাহিনী শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে আদিবাসীদের জমির সীমানা খুটি তুলে ফেলে ও রাত একটায় রিপন মুর্মুর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে।গ্রামবাসীরা অগ্নিসংযোগের ঘটনা জানতে পারলে দুর্বিত্তরা পালিয়ে যায়।এঘটনায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কোন টহলটিম আদিবাসীদের কোন প্রকার সহযোগিতা করেনি বলে জানান আদিবাসীরা।
সন্ত্রাসীরা আদিবাসীদের শিশু কিশোরী ও শিক্ষার্থীদের অপহরণের হুমকি প্রদাণ করছে,এজন্য সাঁওতাল পাড়ার শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার জন্য স্কুল কলেজে যেতে পারছে না। শংকিত হয়ে স্বাভাবিক কাজকাম ও হাট বাজারে গিয়ে কেনা কাটাও করতে পারছে না,এমতাবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছে আদিবাসীরা। ঘটনাটি জানতে পেরে জাতীয় আদিবাসী পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক গনেশ মার্ডী,সাংগঠনিক সম্পাদক বিমল চন্দ্র রাজোয়াড়, কেন্দ্রীয় সদস্য আন্দ্রিয়াস বিশ্বাস (আনু পাহাড়িয়া) রাজশাহী নগর সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ছোটন সরদার, ললিন সরদারসহ নেতৃবিন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও যথাযথ পদক্ষেপের কথা ব্যাক্ত করেন।সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দেন।
রাজশাহী প্রতিনিধি 



















