০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নর্দমার পানিতে তৈরি হচ্ছে ছানা, যাচ্ছে রাজধানীর নামিদামি মিষ্টির দোকানে

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম এলাকার বিভিন্ন ছানা তৈরির কারখানায় চলছে চরম অনিয়ম, ভেজাল কারবার ও স্বাস্থ্যঝুঁকির ভয়াবহ মহোৎসব। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এসব ছানা প্রতিদিন সরবরাহ করা হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নামিদামি মিষ্টির দোকানে। সপ্তাহব্যাপী এক দীর্ঘ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব অস্বাস্থ্যকর ছানা তৈরির রোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর চিত্র।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, দরগ্রাম ইউনিয়নের উত্তর শিমুলিয়া মাঝিপাড়া গ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঁচা দুধ সংগ্রহ করে তাতে ভেজাল কেমিক্যাল ও উপাদান মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ছানা।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, মাঝিপাড়া গ্রামের ‘গোপালের ছানার কারখানা’য় গিয়ে দেখা যায়, অত্যন্ত নোংরা ও স্যাঁতস্যাঁতে এক ঝুপড়ি ঘরে চলছে ছানা প্রস্তুতের কাজ। সেখানে সবচেয়ে ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়ে কারখানার পেছনের ড্রেন বা নর্দমায়— যেখানে ছানাধোয়ার কাজ চলছিল। একই নর্দমায় ড্রেনের নোংরা পানির ভেতরে হাঁস গোসল করছে, নোংরা কুকুর পানি খাচ্ছে এবং পাশেই থাকা গরুর গোয়ালের গোবর এসে সরাসরি মিশছে সেই ড্রেনে। সেই পচা ও দূষিত পানি দিয়েই অস্বাস্থ্যকরভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছে মিষ্টি তৈরির মূল কাঁচামাল ছানা! কারখানার পাশেই রয়েছে উন্মুক্ত টয়লেট, চারপাশের জমে থাকা নোংরা পানিতে কিলবিল করছে মারাত্মক এডিস মশার লার্ভা।

এসময়, কারখানাগুলোতে কাজ করার সময় শ্রমিকদের হাতে ছিল না কোনো গ্লাভস, মুখে ছিল না মাস্ক। এমনকি শ্রমিকরা পান মুখে দিয়ে কাজ করছিলেন এবং কাজের ফাঁকে পানের থুতু ও পিক এসে পড়ছিল প্রসেস করা ছানার ওপর।

কারখানায় সংবাদপত্রের ক্যামেরার উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক কর্মী গা ঢাকা দেয়। এক পর্যায়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি দেখে কারখানার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা চরম মারমুখী আচরণ শুরু করে। কারখানার মালিক গোপাল ঘোষ দম্ভোক্তি করে বলেন, “আপনারা আমাদের কিছুই করতে পারবেন না। এসবে কিছুই হয় না! কত সাংবাদিক আসে যায়!”

পরবর্তীতে পাশের চায়ের দোকানে বসে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারখানার এক কর্মী এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বিভিন্ন জনকে মাসোয়ারা বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমেই দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা পরিচালিত হয়ে আসছে।

এদিকে কারখানার নাজুক পরিবেশ ও দুর্গন্ধে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আশেপাশের বাসিন্দারা। পাশের বাড়ির এক গৃহিণী অভিযোগ করে বলেন, “দুর্গন্ধ ও জঘন্য পরিবেশে এখানে থাকা যায় না, আমরা শান্তিতে শ্বাস নিতে পারি না।” তবে অভিযোগ করার পরই কারখানা থেকে আসা এক ব্যাক্তির তীব্র তোপ ও ধমকের মুখে পড়ে তিনি চুপ হয়ে যেতে বাধ্য হন।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরাসরি নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এবং ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর মারাত্মক লঙ্ঘন। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৬ ও ২৭ ধারা অনুযায়ী: মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর উপাদান মিশিয়ে খাদ্য প্রস্তুত করা, ভেজাল দেওয়া এবং অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য দ্রব্য উৎপাদন বা সংরক্ষণ করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ আইনের অধীনে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ও ৪৪ ধারা অনুযায়ী: স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো উপায়ে পণ্য প্রস্তুত বা প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ভেজাল পণ্য বিক্রির জন্য জেল ও অর্থদণ্ডের স্পষ্ট আইনি বিধান রয়েছে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৭২ ও ২৭৩ ধারা অনুযায়ী: বিক্রি বা প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে কোনো খাদ্য বা পানীয় ভেজাল করা বা মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জেনেও তা বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নর্দমার নোংরা পানি, গোবর ও পশুর বিষাক্ত জীবাণু মিশ্রিত ছানা খেলে টাইফয়েড, ডায়রিয়া, হেপাটাইটিস, লিভার ও কিডনির জটিল রোগসহ দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক ক্যান্সার হতে পারে।

এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকরা বলেন, নিরাপদ খাদ্য লাভ করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার। যদি কেউ জনস্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে ও খাদ্য প্রস্তুতকালে এসব অনিয়ম করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তারা অতি দ্রুত এসব কারখানায় আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করার জোর দাবি জানান।

বিষয়টি নিয়ে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম দ্রুত তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দৃঢ় আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সাটুরিয়া থেকে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দুগ্ধজাত পণ্য সরবরাহ ও রপ্তানি করা হয়। আমি সব সময় চেষ্টা করি সাধারণ মানুষের কাছে যেন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পৌঁছায়। কিন্তু এখন যে বিষয়টি জানতে পারছি, তার প্রেক্ষিতে আমরা অতি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। আমরা কোনোভাবেই অনিয়ম বরদাশত করব না, শতভাগ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করব।”

সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের দাবি, অনতিবিলম্বে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করে এসব অবৈধ কারখানা বন্ধ ও সিলগালা করা হোক।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

ফরিদপুরের মধুখালীকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করতে ইউএনওর পদক্ষেপ

মানিকগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নর্দমার পানিতে তৈরি হচ্ছে ছানা, যাচ্ছে রাজধানীর নামিদামি মিষ্টির দোকানে

Update Time : ০৮:৩৫:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম এলাকার বিভিন্ন ছানা তৈরির কারখানায় চলছে চরম অনিয়ম, ভেজাল কারবার ও স্বাস্থ্যঝুঁকির ভয়াবহ মহোৎসব। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি এসব ছানা প্রতিদিন সরবরাহ করা হচ্ছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নামিদামি মিষ্টির দোকানে। সপ্তাহব্যাপী এক দীর্ঘ অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব অস্বাস্থ্যকর ছানা তৈরির রোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর চিত্র।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, দরগ্রাম ইউনিয়নের উত্তর শিমুলিয়া মাঝিপাড়া গ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কাঁচা দুধ সংগ্রহ করে তাতে ভেজাল কেমিক্যাল ও উপাদান মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ছানা।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, মাঝিপাড়া গ্রামের ‘গোপালের ছানার কারখানা’য় গিয়ে দেখা যায়, অত্যন্ত নোংরা ও স্যাঁতস্যাঁতে এক ঝুপড়ি ঘরে চলছে ছানা প্রস্তুতের কাজ। সেখানে সবচেয়ে ভয়াবহ দৃশ্য ধরা পড়ে কারখানার পেছনের ড্রেন বা নর্দমায়— যেখানে ছানাধোয়ার কাজ চলছিল। একই নর্দমায় ড্রেনের নোংরা পানির ভেতরে হাঁস গোসল করছে, নোংরা কুকুর পানি খাচ্ছে এবং পাশেই থাকা গরুর গোয়ালের গোবর এসে সরাসরি মিশছে সেই ড্রেনে। সেই পচা ও দূষিত পানি দিয়েই অস্বাস্থ্যকরভাবে ধুয়ে পরিষ্কার করা হচ্ছে মিষ্টি তৈরির মূল কাঁচামাল ছানা! কারখানার পাশেই রয়েছে উন্মুক্ত টয়লেট, চারপাশের জমে থাকা নোংরা পানিতে কিলবিল করছে মারাত্মক এডিস মশার লার্ভা।

এসময়, কারখানাগুলোতে কাজ করার সময় শ্রমিকদের হাতে ছিল না কোনো গ্লাভস, মুখে ছিল না মাস্ক। এমনকি শ্রমিকরা পান মুখে দিয়ে কাজ করছিলেন এবং কাজের ফাঁকে পানের থুতু ও পিক এসে পড়ছিল প্রসেস করা ছানার ওপর।

কারখানায় সংবাদপত্রের ক্যামেরার উপস্থিতি টের পেয়ে অনেক কর্মী গা ঢাকা দেয়। এক পর্যায়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতি দেখে কারখানার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা চরম মারমুখী আচরণ শুরু করে। কারখানার মালিক গোপাল ঘোষ দম্ভোক্তি করে বলেন, “আপনারা আমাদের কিছুই করতে পারবেন না। এসবে কিছুই হয় না! কত সাংবাদিক আসে যায়!”

পরবর্তীতে পাশের চায়ের দোকানে বসে থাকা নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারখানার এক কর্মী এক চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বিভিন্ন জনকে মাসোয়ারা বা আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমেই দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা পরিচালিত হয়ে আসছে।

এদিকে কারখানার নাজুক পরিবেশ ও দুর্গন্ধে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন আশেপাশের বাসিন্দারা। পাশের বাড়ির এক গৃহিণী অভিযোগ করে বলেন, “দুর্গন্ধ ও জঘন্য পরিবেশে এখানে থাকা যায় না, আমরা শান্তিতে শ্বাস নিতে পারি না।” তবে অভিযোগ করার পরই কারখানা থেকে আসা এক ব্যাক্তির তীব্র তোপ ও ধমকের মুখে পড়ে তিনি চুপ হয়ে যেতে বাধ্য হন।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড সরাসরি নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ এবং ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর মারাত্মক লঙ্ঘন। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর ২৬ ও ২৭ ধারা অনুযায়ী: মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর উপাদান মিশিয়ে খাদ্য প্রস্তুত করা, ভেজাল দেওয়া এবং অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য দ্রব্য উৎপাদন বা সংরক্ষণ করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ আইনের অধীনে অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ড বা লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ও ৪৪ ধারা অনুযায়ী: স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোনো উপায়ে পণ্য প্রস্তুত বা প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ভেজাল পণ্য বিক্রির জন্য জেল ও অর্থদণ্ডের স্পষ্ট আইনি বিধান রয়েছে। দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ২৭২ ও ২৭৩ ধারা অনুযায়ী: বিক্রি বা প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে কোনো খাদ্য বা পানীয় ভেজাল করা বা মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর জেনেও তা বিক্রি করা আইনত দণ্ডনীয়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, নর্দমার নোংরা পানি, গোবর ও পশুর বিষাক্ত জীবাণু মিশ্রিত ছানা খেলে টাইফয়েড, ডায়রিয়া, হেপাটাইটিস, লিভার ও কিডনির জটিল রোগসহ দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক ক্যান্সার হতে পারে।

এ বিষয়ে সচেতন নাগরিকরা বলেন, নিরাপদ খাদ্য লাভ করা প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার। যদি কেউ জনস্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে ও খাদ্য প্রস্তুতকালে এসব অনিয়ম করে, তবে তাদের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। তারা অতি দ্রুত এসব কারখানায় আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করার জোর দাবি জানান।

বিষয়টি নিয়ে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলাম দ্রুত তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দৃঢ় আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “সাটুরিয়া থেকে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দুগ্ধজাত পণ্য সরবরাহ ও রপ্তানি করা হয়। আমি সব সময় চেষ্টা করি সাধারণ মানুষের কাছে যেন স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পৌঁছায়। কিন্তু এখন যে বিষয়টি জানতে পারছি, তার প্রেক্ষিতে আমরা অতি দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। আমরা কোনোভাবেই অনিয়ম বরদাশত করব না, শতভাগ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করব।”

সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের দাবি, অনতিবিলম্বে জেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট (ভ্রাম্যমাণ আদালত) পরিচালনা করে এসব অবৈধ কারখানা বন্ধ ও সিলগালা করা হোক।