০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় ৫০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার।


ঢাকার আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. স্বপন হোসেন (৩৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. শফিউল আলম সোহাগ। এর আগে, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে আশুলিয়ার খেঁজুরটেক পুরানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. স্বপন হোসেন আশুলিয়ার খেঁজুরটেক পুরানপাড়া এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার বিকেলে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই আক্তার শাওন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ খেঁজুরটেক পুরানপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এসআই মো. শফিউল আলম সোহাগ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক যুবক পালানোর চেষ্টা করলে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়।

পরে তার দেহ তল্লাশি করে পাঁচটি স্বচ্ছ সাদা পলি জিপারের ভেতর রাখা ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে মাদকদ্রব্যের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তি একজন পেশাদার মাদক কারবারি। সে দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়ার খেজুরটেকসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারী মূল্যে মাদক বিক্রয় করে আসছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মাদকের সরবরাহকারী ও সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্ত করতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. শফিউল আলম সোহাগ বলেন, এ ঘটনায় স্বপন হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

ফরিদপুরের মধুখালীকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করতে ইউএনওর পদক্ষেপ

আশুলিয়ায় ৫০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার।

Update Time : ০১:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ঢাকার আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মো. স্বপন হোসেন (৩৩) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. শফিউল আলম সোহাগ। এর আগে, সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে আশুলিয়ার খেঁজুরটেক পুরানপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার মো. স্বপন হোসেন আশুলিয়ার খেঁজুরটেক পুরানপাড়া এলাকার মৃত ইউসুফ আলীর ছেলে।

পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের সার্বিক দিকনির্দেশনায় মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার বিকেলে জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুলিশ ক্যাম্পের এএসআই আক্তার শাওন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ খেঁজুরটেক পুরানপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন এসআই মো. শফিউল আলম সোহাগ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে এক যুবক পালানোর চেষ্টা করলে তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়।

পরে তার দেহ তল্লাশি করে পাঁচটি স্বচ্ছ সাদা পলি জিপারের ভেতর রাখা ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে মাদকদ্রব্যের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে পুলিশ। আটক ব্যক্তি একজন পেশাদার মাদক কারবারি। সে দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়ার খেজুরটেকসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খুচরা ও পাইকারী মূল্যে মাদক বিক্রয় করে আসছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার করা ইয়াবাগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে মাদকের সরবরাহকারী ও সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্ত করতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও জাতীয় স্মৃতিসৌধ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. শফিউল আলম সোহাগ বলেন, এ ঘটনায় স্বপন হোসেনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পর তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মাদক কারবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।