১২:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহম্মদপুরে রাজপাট রক্ষাকালী মন্দিরে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা,ভক্ত-সমাগমে মুখর মেলা


মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজপাট রক্ষাকালী মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমুখর পরিবেশ ও ভক্ত-অনুরাগীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের পবিত্র রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(১৭ জুলাই) শুক্রনার দিনব্যাপী আয়োজিত এ উৎসবকে ঘিরে মন্দির প্রাঙ্গণে দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পদচারণায় প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সকাল-১০ টায় মঙ্গল আরতি, পূজা-অর্চনা,ভজন-কীর্তন এবং বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে সুসজ্জিত রথে জগন্নাথ দেব, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে ভক্তদের অংশগ্রহণে রথ টানার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

রথযাত্রায় নারী, পুরুষ, শিশু ও বিভিন্ন বয়সী ভক্তরা ভক্তিভরে অংশ নেন। ‘জয় জগন্নাথ’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মন্দির এলাকা।
রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে বসে ঐতিহ্যবাহী মেলা।

মেলায় মাটির তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী, খেলনা, প্রসাধনী, মিষ্টান্ন,স্থানীয় খাবার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্থায়ী দোকানপাটে দর্শনার্থীদের ছিল উপচে পড়া ভিড়। শিশুদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

রথখোলা রক্ষা মন্দির কমিটির সভাপতি মধুমঙ্গল দাস বলেন, রথযাত্রা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসব শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধেরও প্রতীক।

প্রতিবছরের মতো এবারও সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আমাদের উৎসাহিত করেছে।

ভবিষ্যতেও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে আরও বৃহৎ পরিসরে এ উৎসব আয়োজনের প্রত্যাশা করছি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, মন্দির কমিটির সদস্য, সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও মেলার কার্যক্রম শেষে রথযাত্রা সম্পন্ন হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

ফরিদপুরের মধুখালীকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করতে ইউএনওর পদক্ষেপ

মহম্মদপুরে রাজপাট রক্ষাকালী মন্দিরে জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা,ভক্ত-সমাগমে মুখর মেলা

Update Time : ০৫:৩০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬


মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার রাজপাট রক্ষাকালী মন্দির প্রাঙ্গণে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমুখর পরিবেশ ও ভক্ত-অনুরাগীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেবের পবিত্র রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(১৭ জুলাই) শুক্রনার দিনব্যাপী আয়োজিত এ উৎসবকে ঘিরে মন্দির প্রাঙ্গণে দর্শনার্থী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পদচারণায় প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

সকাল-১০ টায় মঙ্গল আরতি, পূজা-অর্চনা,ভজন-কীর্তন এবং বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে সুসজ্জিত রথে জগন্নাথ দেব, বলরাম ও সুভদ্রার বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা করে ভক্তদের অংশগ্রহণে রথ টানার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

রথযাত্রায় নারী, পুরুষ, শিশু ও বিভিন্ন বয়সী ভক্তরা ভক্তিভরে অংশ নেন। ‘জয় জগন্নাথ’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো মন্দির এলাকা।
রথযাত্রাকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে বসে ঐতিহ্যবাহী মেলা।

মেলায় মাটির তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী, খেলনা, প্রসাধনী, মিষ্টান্ন,স্থানীয় খাবার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের অস্থায়ী দোকানপাটে দর্শনার্থীদের ছিল উপচে পড়া ভিড়। শিশুদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসা মানুষের উপস্থিতিতে উৎসবটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

রথখোলা রক্ষা মন্দির কমিটির সভাপতি মধুমঙ্গল দাস বলেন, রথযাত্রা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসব শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি পারস্পরিক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধেরও প্রতীক।

প্রতিবছরের মতো এবারও সকলের সহযোগিতায় শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে রথযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীদের উপস্থিতি আমাদের উৎসাহিত করেছে।

ভবিষ্যতেও ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রেখে আরও বৃহৎ পরিসরে এ উৎসব আয়োজনের প্রত্যাশা করছি।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, মন্দির কমিটির সদস্য, সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও মেলার কার্যক্রম শেষে রথযাত্রা সম্পন্ন হয়।