০৪:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একই ঘরের দুই রত্ন, আলফাডাঙ্গার অদম্য মেধাবী ভাই-বোনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপহার

একই ঘরের দুই রত্ন—মেধা, অধ্যবসায় ও সাফল্যে নিজেদের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন ভাই মো. জান্নাতুন নাঈম ও বোন শাহিনা আফরোজ বর্ষা। দুজনেই ধলাইরচর বরকতিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। তাদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উপহার দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকালে আলফাডাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কার্যালয় চত্বরে কৃতি দুই শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া উপহার তুলে দেন ধলাইরচর বরকতিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারী শিক্ষক আখতারুজ্জামান।

মেধাবী দুই ভাই-বোন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকার মিঠাপুর কলেজপাড়ার বাসিন্দা। তাদের বাবা মো. মতিউর রহমান এবং মা মোছা. নাসরিন নাহার।

শিক্ষার্থী মো. জান্নাতুন নাঈম ধলাইরচর বরকতিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২০২৪ সালে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গোপালগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে অধ্যয়নরত।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থী শাহিনা আফরোজ বর্ষাও একই মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত।

শিক্ষার্থী মো. জান্নাতুন নাঈম ও শিক্ষার্থী শাহিনা আফরোজ বর্ষা বলেন, এই স্বীকৃতি ও উপহার পেয়ে আমরা আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত। আমাদের সাফল্যের পেছনে বাবা-মা ও শিক্ষকদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করে নিজেদের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে পারি—সেজন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।

ধলাইরচর বরকতিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন বলেন, দুই ভাই-বোনই আমাদের প্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থী। তারা জিপিএ-৫ অর্জন করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম বয়ে এনেছে। তাদের সাফল্যে আমরা গর্বিত এবং ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানাই।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক বলেন, কৃতি শিক্ষার্থীদের এ স্বীকৃতি তাদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দেবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

ফরিদপুরের মধুখালীকে আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন করতে ইউএনওর পদক্ষেপ

একই ঘরের দুই রত্ন, আলফাডাঙ্গার অদম্য মেধাবী ভাই-বোনকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপহার

Update Time : ০৮:৪১:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

একই ঘরের দুই রত্ন—মেধা, অধ্যবসায় ও সাফল্যে নিজেদের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন ভাই মো. জান্নাতুন নাঈম ও বোন শাহিনা আফরোজ বর্ষা। দুজনেই ধলাইরচর বরকতিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। তাদের কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উপহার দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকালে আলফাডাঙ্গা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস কার্যালয় চত্বরে কৃতি দুই শিক্ষার্থীর হাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া উপহার তুলে দেন ধলাইরচর বরকতিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারী শিক্ষক আখতারুজ্জামান।

মেধাবী দুই ভাই-বোন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌর এলাকার মিঠাপুর কলেজপাড়ার বাসিন্দা। তাদের বাবা মো. মতিউর রহমান এবং মা মোছা. নাসরিন নাহার।

শিক্ষার্থী মো. জান্নাতুন নাঈম ধলাইরচর বরকতিয়া আলিম মাদ্রাসা থেকে ২০২৪ সালে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি গোপালগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে অধ্যয়নরত।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থী শাহিনা আফরোজ বর্ষাও একই মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি আলফাডাঙ্গা সরকারি ডিগ্রি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়নরত।

শিক্ষার্থী মো. জান্নাতুন নাঈম ও শিক্ষার্থী শাহিনা আফরোজ বর্ষা বলেন, এই স্বীকৃতি ও উপহার পেয়ে আমরা আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত। আমাদের সাফল্যের পেছনে বাবা-মা ও শিক্ষকদের সহযোগিতা রয়েছে। তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে পড়াশোনা করে নিজেদের যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠিত হয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করতে পারি—সেজন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করছি।

ধলাইরচর বরকতিয়া আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোসলেম উদ্দিন বলেন, দুই ভাই-বোনই আমাদের প্রতিষ্ঠানের কৃতি শিক্ষার্থী। তারা জিপিএ-৫ অর্জন করে প্রতিষ্ঠানের সুনাম বয়ে এনেছে। তাদের সাফল্যে আমরা গর্বিত এবং ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানাই।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হক বলেন, কৃতি শিক্ষার্থীদের এ স্বীকৃতি তাদের আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দেবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়।