০৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (২ নভেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, আজ তারই উত্তরসূরি তারেক রহমানও সুদূর প্রবাস থেকে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শুরু হওয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতা আজ অব্যাহত রেখেছেন তারেক রহমান। জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন তিনি।”

তিনি আরও বলেন, “৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যখন দেশ অনিশ্চয়তা ও হতাশার মধ্যে রয়েছে, তখন ৭ নভেম্বরের ঐক্যের চেতনা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত করা হয়। দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় জাতি তখন নতুন দিকনির্দেশনা পায়, শুরু হয় বাংলাদেশের সাফল্যের নতুন অধ্যায়।

তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক ক্ষণজন্মা নেতা। তিনি দেশকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ পরিচিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বেই শুরু হয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণ।”

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করেন। তাঁর হাত ধরেই শুরু হয় গার্মেন্টস শিল্প, বিদেশে শ্রমিক প্রেরণ ও রেমিট্যান্সভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশ।

তিনি বলেন, “নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে জিয়াউর রহমান যুগান্তকারী ভূমিকা রাখেন। কৃষি, শিল্প ও অর্থনীতিতে তার দূরদর্শী পদক্ষেপ দেশের উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপন করে।”

বিএনপির মহাসচিব বলেন, “যদিও ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তবুও তার আদর্শ ও দর্শন আজও বেঁচে আছে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ আজও আমাদের আন্দোলনের প্রেরণার উৎস।”

সবশেষে মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্নপূরণের প্রেরণা জোগায়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে সামনে রেখে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই চালিয়ে যাব।”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

গণধর্ষণের তথ্য মেলেনি! আলফাডাঙ্গায় প্রেমের সম্পর্কের জেরে বাড়ি ছাড়ল মাদ্রাসাছাত্রী

জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন তারেক রহমান : মির্জা ফখরুল

Update Time : ০৮:০৫:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (২ নভেম্বর) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, আজ তারই উত্তরসূরি তারেক রহমানও সুদূর প্রবাস থেকে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে শুরু হওয়া গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতা আজ অব্যাহত রেখেছেন তারেক রহমান। জাতিকে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছেন তিনি।”

তিনি আরও বলেন, “৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন। আজকের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যখন দেশ অনিশ্চয়তা ও হতাশার মধ্যে রয়েছে, তখন ৭ নভেম্বরের ঐক্যের চেতনা আরও বেশি প্রাসঙ্গিক।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে গৃহবন্দী অবস্থা থেকে মুক্ত করা হয়। দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় জাতি তখন নতুন দিকনির্দেশনা পায়, শুরু হয় বাংলাদেশের সাফল্যের নতুন অধ্যায়।

তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক ক্ষণজন্মা নেতা। তিনি দেশকে ‘বটমলেস বাস্কেট’ পরিচিতি থেকে উত্তরণের পথ দেখিয়েছেন। তাঁর নেতৃত্বেই শুরু হয় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণ।”

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করেন। তাঁর হাত ধরেই শুরু হয় গার্মেন্টস শিল্প, বিদেশে শ্রমিক প্রেরণ ও রেমিট্যান্সভিত্তিক অর্থনীতির বিকাশ।

তিনি বলেন, “নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়নে জিয়াউর রহমান যুগান্তকারী ভূমিকা রাখেন। কৃষি, শিল্প ও অর্থনীতিতে তার দূরদর্শী পদক্ষেপ দেশের উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপন করে।”

বিএনপির মহাসচিব বলেন, “যদিও ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, তবুও তার আদর্শ ও দর্শন আজও বেঁচে আছে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ আজও আমাদের আন্দোলনের প্রেরণার উৎস।”

সবশেষে মির্জা ফখরুল বলেন, “৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বপ্নপূরণের প্রেরণা জোগায়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে সামনে রেখে আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই চালিয়ে যাব।”