প্রতিবেদক : শাহীনুল হক।
ঢাকার আশুলিয়ায় শ্রমিকবহনকারী একটি চলন্ত বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলে। মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সম্ভার ফিলিং স্টেশনের সামনে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের চন্দ্রাগামী লেনে সিমা-সিমলা এন্টারপ্রাইজ নামক চলন্ত বাসে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

বাস মালিকের দাবি, দুর্বৃত্তরা বাসে আগুন দিয়েছে। তবে বাসচালক আগুন দিতে কাউকে দেখেননি। আশুলিয়া থানা পুলিশ বলছে, চালকের সহকারীর অসচেতনভাবে ফেলা দেশলাইয়ের কাঠি থেকে এ ঘটনা ঘটেছে।
বাস মালিক, চালক ও ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের ডিইপিজেড এলাকায় চন্দ্রাগামী লেনে ডিইপিজেডের শ্রমিক পরিবহনের কাজে নিয়োজিত চলন্ত বাসটির (ঢাকা-জ ১২৫৩) পেছনের দিকে হঠাৎ আগুন লাগে। এ সময় স্থানীয়রা বিষয়টি ফায়ার সার্ভিসকে জানালে ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

বাস মালিক সেলিম খান বলেন, ডিইপিজেড পাঁচটায় ছুটি হবে, তাই শ্রমিকদের আনতে বাসটি পলাশবাড়ী থেকে ডিইপিজেডে যাচ্ছিল। ডিইপিজেডের কাছাকাছি পেট্রলপাম্পের সামনে আসার পর ড্রাইভার পেছনের সিটে আগুন দেখতে পান। পেছনের সিটে কেউ আগুন ধরিয়ে দিছে। কীভাবে আগুন দিছে, জানি না। আগুনে এক লাখ টাকার মতো ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে।
বাস চালক রেজাউল বলেন, আগুনের তাপ পেয়ে তিনি পেছনে তাকিয়ে দেখেন, বাসের ভেতরে আগুন জ্বলছে। প্রথমে বাসের পেছনের ছয়টি সিটে আগুন লাগে। কোনো কারণ ছাড়া এমনি এমনি বাসে আগুন লাগার কথা নয়। তবে কাউকে বাসে আগুন লাগাতেও দেখেননি বলে জানান তিনি।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান বলেন, ঘটনার পরপরই খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চালকের সহকারী চালককে সিগারেট ধরিয়ে দিয়ে অসচেতনভাবে জ্বলন্ত দেশলাইয়ের কাঠি বাসেই ফেলে দেন। এতে গ্যাসকেটে আগুন লেগে পরে সিটগুলো পুড়ে যায়। ঘটনার পর চালক ঘটনাস্থলে থাকলেও সহকারী পালিয়ে যান।
ডিইপিজেড ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন কর্মকর্তা প্রণব চৌধুরী বলেন, বাসে আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসটির আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আগুনে বাসের পেছনের দিকের বেশ কিছু আসন পুড়ে গেছে।
Reporter Name 


















