০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরার পুঠিয়া মনসা মন্দিরে তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসব শুরু


মাগুরা সদর উপজেলার ১১ নং- বেরুইল-পলিতা ইউনিয়নের পুঠিয়া সার্বজনীন মনসা মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসব ও
বেহুলা লক্ষিন্দারের পালা গান।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা দীনবন্ধু সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে এ উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী ঘোষণা শেষে ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা।

মনসামঙ্গল কাব্যের পৌরাণিক কাহিনিনির্ভর এ পালাগানের মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হচ্ছে বাংলার লোকজ সংস্কৃতি,ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের নানা দিক। দেবী মনসার আরাধনা ও ধর্মীয় আবহে মন্দির প্রাঙ্গণে চলছে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও লোকজ ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে এ উৎসব বাংলার প্রাচীন সাংস্কৃতিক ধারাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময় পুঠিয়া গ্রামসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

কালকিনি ও ডাসারে এইচএসসি পরীক্ষার ফল: শীর্ষে শশিকর শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়

মাগুরার পুঠিয়া মনসা মন্দিরে তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসব শুরু

Update Time : ০২:২৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


মাগুরা সদর উপজেলার ১১ নং- বেরুইল-পলিতা ইউনিয়নের পুঠিয়া সার্বজনীন মনসা মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ধর্মীয় উৎসব ও
বেহুলা লক্ষিন্দারের পালা গান।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা দীনবন্ধু সরকার আনুষ্ঠানিক ভাবে এ উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী ঘোষণা শেষে ধর্মীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা।

মনসামঙ্গল কাব্যের পৌরাণিক কাহিনিনির্ভর এ পালাগানের মধ্য দিয়ে তুলে ধরা হচ্ছে বাংলার লোকজ সংস্কৃতি,ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের নানা দিক। দেবী মনসার আরাধনা ও ধর্মীয় আবহে মন্দির প্রাঙ্গণে চলছে উৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।

ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও লোকজ ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে এ উৎসব বাংলার প্রাচীন সাংস্কৃতিক ধারাকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ সময় পুঠিয়া গ্রামসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী-পুরুষ ভক্তরা উপস্থিত ছিলেন।