১২:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাষা-গোত্র বর্ণ কিংবা দল-মত, ধর্ম, দর্শন যার যার। প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ সবার”- ড. খোন্দকার আকবর হোসেন (বাবলু)

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৯:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২০৭ Time View

দৌলতপুর প্রতিনিধি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দৌলতপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক বিশাল আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দৌলতপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের জ্যৈষ্ঠ পুত্র মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও আহবায়ক কমিটির সদস্য ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু বলেন, “দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মপরিকল্পনায় রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের রোডম্যাপ সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ৩১ দফার মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রের সুরক্ষা, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন, মানবাধিকার সংরক্ষণ, দুর্নীতির প্রতিরোধ, কৃষির টেকসই উন্নয়ন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্র গঠন। গত ১৫ বছর দেশে উন্নয়নের নামে লুটপাট, দমননীতি ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি সেই অন্ধকার থেকে জাতিকে মুক্তি দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তুলবে।”
তিনি আরো বলেন, “নারীরা আজ আর ঘরে সীমাবদ্ধ নন, তারা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের অগ্রভাগে রয়েছেন। তাই নারী সমাজকে ধানের শীষেকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এই বিজয়ই হবে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি।বিএনপির ৩১ দফা কেবল দেশ ও দেশের মানুষের জন্য। ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা দেশের মানুষের শুভ পরিবর্তন ঘটাতে চাই, যেটি মানুষ প্রত্যাশা করে। এই পরিবর্তন কোনো জাদু বা ম্যাজিক নয় যে, বলব আর হয়ে যাবে। এজন্য জনগণের আস্থা ধরে রাখার জন্য নিজেদের পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের মন-মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তাই আমাদের ভাবনায় শুধুই জনগণ, জনগণ ও জনগণ।”

“শুধু তাই নয়, এই ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা সব জুলুম-নির্যাতনের প্রতিশোধ নেব। আমি প্রতিবারই বলছি সামনের পথ মোটেও মসৃণ নয়। বিএনপির বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণের আস্থা নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করা যাবে না। মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনে দলের নেতাকর্মীদের এক থাকতে হবে।”

বাবলু বলেন, “একসময় ফ্যাসিস্ট সরকারের দমন-পীড়ন, গুম,খুন ও নির্যাতনের কারণে তখন জীবন বাঁচানোই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু ৫ আগস্ট ঐতিহাসিক আন্দোলনের পর স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আজ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন নতুন আশা ও স্বপ্ন নিয়ে। বিএনপি কখনো দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বা স্বজনপ্রীতিতে বিশ্বাস করে না- ভবিষ্যতেও করবে না। জনগণের সম্পদ জনগণের মাঝে সুষমভাবে বণ্টন হবে। আমার পিতা মরহুম খোন্দকার দেলোয়ারের হোসেন মানিকগঞ্জ-১ আসনে বহু উন্নয়ন করেছে, কিছু কাজ অসমাপ্ত রয়ে গেছে। আমি আমার পিতার অসমাপ্ত উন্নয়ন শেষ করতে চাই। একই সঙ্গে আমি সবাইকে আহ্বান জানাই। আসন্ন নির্বাচনে যে কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সজাগ থাকুন। জনগণের শক্তিই হবে আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার প্রধান হাতিয়ার।”

মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সদস্য ও দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. নুরুল ইসলাম কুন্টুর সভাপতিত্বে খোন্দকার বাবলু আরও বলেন,আমার শ্রদ্ধেয় পিতা সারাজীবন আপনাদের সেবা করেছেন। নিজের স্বার্থের কথা তিনি কখনো ভাবেননি। নিজের প্রাপ্য সুখ-স্বাচ্ছন্দ ত্যাগ করে তিনি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে বাঁচিয়েছেন। আমি তার সন্তান হিসেবে আপনাদের সামনে একটি অনুরোধ রাখছি-বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে, সুশাসন ফিরিয়ে আমতে হবে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। পরিশেষে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ধানের শীষ কে বিজয়ী করতে হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল আলম বিল্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, ঘিওর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি কাজী আব্দুর রাজ্জাক, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মহিদুর রহমান, মরহুম খোন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলুর ছেলে রোমান খোন্দকার জুনিয়র,জেলা কৃষক দলের সদস্য আবুল কালাম আজাদ,দৌলতপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি কে.এম চানমিয়া মাস্টার, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. রেজাউল করিম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন সৈকত, জেলা শহীদ জিয়া প্রজন্ম দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, বিএনপি নেতা হিমোন খান, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্র দলের সাবেক সহ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কবির হোসেন,ছাত্র নেতা মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

ডিবি পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান: ৪২ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ আটক ২ নারী

ভাষা-গোত্র বর্ণ কিংবা দল-মত, ধর্ম, দর্শন যার যার। প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ সবার”- ড. খোন্দকার আকবর হোসেন (বাবলু)

Update Time : ০৯:৩০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

দৌলতপুর প্রতিনিধি

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দৌলতপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এক বিশাল আলোচনা সভা ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দৌলতপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের জ্যৈষ্ঠ পুত্র মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও আহবায়ক কমিটির সদস্য ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু বলেন, “দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মপরিকল্পনায় রাজনীতির গুণগত পরিবর্তনের রোডম্যাপ সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ৩১ দফার মূল লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রের সুরক্ষা, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন, মানবাধিকার সংরক্ষণ, দুর্নীতির প্রতিরোধ, কৃষির টেকসই উন্নয়ন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, বৈষম্যহীন ও সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্র গঠন। গত ১৫ বছর দেশে উন্নয়নের নামে লুটপাট, দমননীতি ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা হয়েছে। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছে। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি সেই অন্ধকার থেকে জাতিকে মুক্তি দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়ে তুলবে।”
তিনি আরো বলেন, “নারীরা আজ আর ঘরে সীমাবদ্ধ নন, তারা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনের অগ্রভাগে রয়েছেন। তাই নারী সমাজকে ধানের শীষেকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এই বিজয়ই হবে নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি।বিএনপির ৩১ দফা কেবল দেশ ও দেশের মানুষের জন্য। ৩১ দফার মাধ্যমে আমরা দেশের মানুষের শুভ পরিবর্তন ঘটাতে চাই, যেটি মানুষ প্রত্যাশা করে। এই পরিবর্তন কোনো জাদু বা ম্যাজিক নয় যে, বলব আর হয়ে যাবে। এজন্য জনগণের আস্থা ধরে রাখার জন্য নিজেদের পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের মন-মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। তাই আমাদের ভাবনায় শুধুই জনগণ, জনগণ ও জনগণ।”

“শুধু তাই নয়, এই ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা সব জুলুম-নির্যাতনের প্রতিশোধ নেব। আমি প্রতিবারই বলছি সামনের পথ মোটেও মসৃণ নয়। বিএনপির বিরুদ্ধে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণের আস্থা নষ্ট হয় এমন কোনো কাজ করা যাবে না। মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জনে দলের নেতাকর্মীদের এক থাকতে হবে।”

বাবলু বলেন, “একসময় ফ্যাসিস্ট সরকারের দমন-পীড়ন, গুম,খুন ও নির্যাতনের কারণে তখন জীবন বাঁচানোই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু ৫ আগস্ট ঐতিহাসিক আন্দোলনের পর স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। আজ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতৃত্ব দিচ্ছেন নতুন আশা ও স্বপ্ন নিয়ে। বিএনপি কখনো দুর্নীতি, চাঁদাবাজি বা স্বজনপ্রীতিতে বিশ্বাস করে না- ভবিষ্যতেও করবে না। জনগণের সম্পদ জনগণের মাঝে সুষমভাবে বণ্টন হবে। আমার পিতা মরহুম খোন্দকার দেলোয়ারের হোসেন মানিকগঞ্জ-১ আসনে বহু উন্নয়ন করেছে, কিছু কাজ অসমাপ্ত রয়ে গেছে। আমি আমার পিতার অসমাপ্ত উন্নয়ন শেষ করতে চাই। একই সঙ্গে আমি সবাইকে আহ্বান জানাই। আসন্ন নির্বাচনে যে কোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে সজাগ থাকুন। জনগণের শক্তিই হবে আগামী দিনের বাংলাদেশ গড়ার প্রধান হাতিয়ার।”

মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সদস্য ও দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. নুরুল ইসলাম কুন্টুর সভাপতিত্বে খোন্দকার বাবলু আরও বলেন,আমার শ্রদ্ধেয় পিতা সারাজীবন আপনাদের সেবা করেছেন। নিজের স্বার্থের কথা তিনি কখনো ভাবেননি। নিজের প্রাপ্য সুখ-স্বাচ্ছন্দ ত্যাগ করে তিনি জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে বাঁচিয়েছেন। আমি তার সন্তান হিসেবে আপনাদের সামনে একটি অনুরোধ রাখছি-বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে, সুশাসন ফিরিয়ে আমতে হবে এবং জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। পরিশেষে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে ধানের শীষ কে বিজয়ী করতে হবে।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিউল আলম বিল্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম, ঘিওর উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি কাজী আব্দুর রাজ্জাক, মানিকগঞ্জ জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মহিদুর রহমান, মরহুম খোন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলুর ছেলে রোমান খোন্দকার জুনিয়র,জেলা কৃষক দলের সদস্য আবুল কালাম আজাদ,দৌলতপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি কে.এম চানমিয়া মাস্টার, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. রেজাউল করিম, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন সৈকত, জেলা শহীদ জিয়া প্রজন্ম দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম শফিক, বিএনপি নেতা হিমোন খান, মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্র দলের সাবেক সহ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. কবির হোসেন,ছাত্র নেতা মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।