স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারকে ফিরিয়ে আনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ভারতীয় সাংবাদিকরা। এতে কলকাঠি নাড়ছে ভারতের একটি প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থা । ওইসব সাংবাদিকরা ক্ষমতাসীন সাম্প্রদায়িক নরেন্দ্র মোদী সরকারের ধ্বজাধারী ও নানা সুযোগ সুবিধা ভোগীই নয় বিগত সময়ে হাসিনা সরকারের কাছ থেকেও প্রচুর সুযোগ-সুবিধা নিয়েছে । তারা বাংলাদেশের সাংবাদিকদের মধ্যে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে এগুচেছ বলে গোয়েন্দা সুত্র নিশ্চিত হয়েছে। দিল্লীর বিদেশ মন্ত্রণালয়, পালিয়ে থাকা হাসিনা সরকারের সাবেক কর্মকর্তারা কলকাঠি নাড়ছেন বলে বিশ্বস্থ সুত্রগুলো নিশ্চিত হওয়ার পর বাংলাদেশে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন একটি তালিকা তৈরি করে ।
সম্পৃক্ততায় যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন, দিল্লী প্রেস ক্লাবের সভাপতি গৌতম লাহিড়ী যার নেতৃত্বে হাসিনা সরকারের সময় ভারতীয় সাংবাদিকরা বহুবার বাংলাদেশ সফর করেছে। তাদেরকে নানা সুযোগ সুবিধা দিয়েছে হাসিনা সরকার। পদ্মা সেতু উদ্ধোধনের সময় ও শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী পালনের প্রাক্কালে রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে রিপোটিংয়ের দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল সেখানে উপস্থিত ছিলেন এনএসআইয়ের কর্মকর্তা, দিল্লীর বাংলাদেশ হাই কমিশনের প্রেস মিনিস্টার, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতাকর্মীরাও। রিপোটিংয়ের দিক নির্দেশনা দেওয়া সংক্রান্ত এই ধরনের মিটিং অনেকবার হয়েছে যার উদ্দ্যেশ্য ছিল হাসিনা সরকারের উন্নয়ন সারা বিশ্ববাসীর কাছে ছড়িয়ে দেওয়া।
গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন সুত্রে জানা যায়, দিল্লী প্রেসক্লাবের সভাপতি গৌতম লাহিড়ী একক ভাবেও শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশে এসে রাজকীয় মর্যাদা ও সরকারী প্রটোকল নিয়েছেন। গণভবনে শেখ হাসিনার প্রেস কনফারেন্সেও অংশগ্রহণ করেছেন। দিল্লীর এই প্রভাবশালী সাংবাদিক ভারতের কোন মিডিয়ায় কাজ না করলেও সাবেক প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদের তদবিরে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কর্পোরেট মিডিয়া হাউস বসুন্ধরা গ্রুপে চাকরী নিয়েছেন যা এখনও বহাল রয়েছে।
সুত্র প্রাপ্ত তর্থে জানা যায়, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের নিয়ে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে গড়ে উঠেছে একটি আওয়ামী সিন্ডিকেট যেটিতে কলকাঠি নাড়ছেন স্বয়ং গৌতম লাহিড়ী।
ঢাকার যেসব সাংবাদিকদের নাম এসেছে তারা হলেন, ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটির সাবেক সভাপতি ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য মি: সাবু যিনি এক সময় দিল্লীতে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় ব্যুরো চিফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
দিপক আচার্য্য, যিনি একটি ইংরেজি দৈনিকের সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য, আব্দুল জলিল ভুঁইয়া তিনি ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশের) সাবেক সভাপতি ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য, সুকুমার সরকার কোলকাতার সংবাদ প্রতিদিন পত্রিকার বাংলাদেশ সংবাদদাতা ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, রফিকুল ইসলাম সবুজ ঢাকার সময়ের আলো পত্রিকায় কর্মরত ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, আমিনুল ইসলাম ভুঁইয়া ঢাকা রিপোটার্স ইউনিটির সদস্য ও নির্বাচিত নেতা (ডিআরইউ), কুদ্দুস আফ্রাদ দৈনিক পুর্বকোণ এবং কোলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার সাবেক প্রতিনিধি ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, আবু সালেহ রনি ঢাকার দৈনিক সমকাল পত্রিকায় কর্মরত ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, মধুসুদন মন্ডল বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় কর্মরত ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, শহীদ আশরাফ সাবেক বাংলার বানী পত্রিকার সাংবাদিক ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, মামুন আবেদীন ঢাকার দৈনিক ভোরের কাগজের ফটো সাংবাদিক ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, হাবিবুর রহমান ঢাকার দৈনিক জনতা পত্রিকায় কর্মরত ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য, গৌতম কুমার এদবর ফটো সাংবাদিক হিন্দু বৌদ্ধ খৃস্টার্ন পরিষদের প্রতিনিধি (প্রেসক্লাব চত্বর), মাহবুবুল বাসেত দৈনিক দেশ বাংলা পত্রিকায় কর্মরত ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, কিশোর কুমার সরকার, দৈনিক ডেসটিনি ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, আরিফুজ্জামান মামুন দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকায় কর্মরত ডিক্যাব সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, কাজী রওনক হোসেন মাসিক সরগম পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ও জাতীয় প্রেসক্লাব ব্যাবস্থাপনা কমিটির সদস্য, কাঞ্চন কুমার দে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকায় কর্মরত ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, শিবু কান্তি দাশ দৈনিক পুর্বকোণ পত্রিকায় কর্মরত ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, রহমান মুস্তাফিজ সারা বাংলা ডটকমে কর্মরত ও জাতীয় প্রেসক্লাব সদস্য, অগ্নি রায় আনন্দবাজার পত্রিকায় কর্মরত, স্নেহাশিস সুর সভাপতি কোলকাতা প্রেসক্লাব।
সাংবাদিক আল হাদী
থেকে সংকলিত
১১ই আগস্ট ২০২৫
Reporter Name 



















