০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটামাগুরায় ভ্রাতৃত্বের উৎসব

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪৩৩ Time View

স্টাফরিপোর্টার।


বাংলার ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলোর মধ্যে ভাইফোঁটা বা ভাতৃদ্বয় অন্যতম।দীপাবলির আনন্দ শেষ না হতেই আসে এই বিশেষ দিনটি,যা ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও গভীর করে তোলে।মাগুরা জেলার চার উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায় এই দিনে বোনেরা ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিয়ে তাদের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন।
ভাইফোঁটার সকালে ঘরে ঘরে শুরু হয় প্রস্তুতি। বোনেরা স্নান সেরে নতুন পোশাক পরে, থালায় চন্দন, দুধ, দূর্বা ঘাস, মিষ্টি আর প্রদীপ সাজিয়ে নেন। এরপর ভালোবাসার ছোঁয়ায় ভাইয়ের কপালে তিলক দেন-সঙ্গে থাকে আশীর্বাদের বাক্য,“ভাই আমার সুখে থাকো, দীর্ঘায়ু হও।”এর প্রতিদানে ভাইরা বোনদের উপহার দেন এবং সারাজীবন রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেন।
এই দিনে শুধু ভাই-বোন নয়,পুরো পরিবারে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দ আর ভালোবাসার উচ্ছ্বাস।গ্রাম থেকে শহর, সর্বত্রই দেখা যায় উৎসবের রঙ।রান্না হয় পিঠা-পায়েস, মিষ্টি আর নানা ঐতিহ্যবাহী খাবার।
ভাইফোঁটা কেবল একটি রীতি নয়-এটি বাংলার হৃদয়ে নিহিত পারিবারিক ভালোবাসা,স্নেহ ও সম্পর্কের বন্ধনের প্রতীক।আধুনিকতার ভিড়েও এই ঐতিহ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়,রক্তের সম্পর্কের চেয়ে মনের বন্ধনই সবচেয়ে শক্তিশালী।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে নতুন মুখ, সভাপতি আচ্ছু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মিলন

ভাইয়ের কপালে দিলাম ফোঁটামাগুরায় ভ্রাতৃত্বের উৎসব

Update Time : ১০:৫৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

স্টাফরিপোর্টার।


বাংলার ঐতিহ্যবাহী উৎসবগুলোর মধ্যে ভাইফোঁটা বা ভাতৃদ্বয় অন্যতম।দীপাবলির আনন্দ শেষ না হতেই আসে এই বিশেষ দিনটি,যা ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও গভীর করে তোলে।মাগুরা জেলার চার উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায় এই দিনে বোনেরা ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিয়ে তাদের দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন।
ভাইফোঁটার সকালে ঘরে ঘরে শুরু হয় প্রস্তুতি। বোনেরা স্নান সেরে নতুন পোশাক পরে, থালায় চন্দন, দুধ, দূর্বা ঘাস, মিষ্টি আর প্রদীপ সাজিয়ে নেন। এরপর ভালোবাসার ছোঁয়ায় ভাইয়ের কপালে তিলক দেন-সঙ্গে থাকে আশীর্বাদের বাক্য,“ভাই আমার সুখে থাকো, দীর্ঘায়ু হও।”এর প্রতিদানে ভাইরা বোনদের উপহার দেন এবং সারাজীবন রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দেন।
এই দিনে শুধু ভাই-বোন নয়,পুরো পরিবারে ছড়িয়ে পড়ে আনন্দ আর ভালোবাসার উচ্ছ্বাস।গ্রাম থেকে শহর, সর্বত্রই দেখা যায় উৎসবের রঙ।রান্না হয় পিঠা-পায়েস, মিষ্টি আর নানা ঐতিহ্যবাহী খাবার।
ভাইফোঁটা কেবল একটি রীতি নয়-এটি বাংলার হৃদয়ে নিহিত পারিবারিক ভালোবাসা,স্নেহ ও সম্পর্কের বন্ধনের প্রতীক।আধুনিকতার ভিড়েও এই ঐতিহ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়,রক্তের সম্পর্কের চেয়ে মনের বন্ধনই সবচেয়ে শক্তিশালী।