০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেঘনা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সাপের উপদ্রব


কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সাপের আনাগোনা দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। অফিস কক্ষে বড় আকারের বিষধর সাপসহ কয়েকটি ছানা বারবার দেখা যাওয়ায় প্রশাসন বাধ্য হয়ে অফিসের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে ভীতি ছড়িয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যে।
অফিসের প্রধান সহকারী নির্মল বাবুর ভাষ্য, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রেকর্ড রুমে প্রথমবার সাপ দেখা গেলে স্থানীয় এক সাপুড়ে ডেকে এনে একটি বড় সাপ, ২৪টি ডিম ও কয়েকটি বাচ্চা উদ্ধার করা হয়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে মনে হলেও গত রবিবার পুনরায় বিপত্তি ঘটে।
সেদিন জরুরি নথি সংগ্রহের জন্য রেকর্ড রুমে প্রবেশ করতেই সহকারী নাছিমা আক্তার বিশাল আকৃতির আরেকটি সাপের মুখোমুখি হন। তিনি অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। এই ঘটনার পর পুরো অফিসেই আতঙ্ক তৈরি হয়।
পরদিন সোমবার সকালে কর্মচারীরা দেখা পান আরও কয়েকটি সাপের চলাচল। তাৎক্ষণিক জেলা রেজিস্ট্রারকে অবহিত করলে তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে অফিসের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।
দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আক্তার হোসেন বলেন, “আগামীকাল আবার ওঝা এনে পুরো ভবনে অভিযান চালানো হবে। এর আগেরবার সাপ ধরা হলেও মনে হচ্ছে আরও বাসা বেঁধে ছিল ভেতরে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সাপের টানা উপদ্রবে শুধু সরকারি সেবা কার্যক্রমই নয়, কর্মচারীদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

আলফাডাঙ্গায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

মেঘনা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সাপের উপদ্রব

Update Time : ০৯:২৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫


কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে সাপের আনাগোনা দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। অফিস কক্ষে বড় আকারের বিষধর সাপসহ কয়েকটি ছানা বারবার দেখা যাওয়ায় প্রশাসন বাধ্য হয়ে অফিসের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে। এতে ভীতি ছড়িয়েছে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যে।
অফিসের প্রধান সহকারী নির্মল বাবুর ভাষ্য, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে রেকর্ড রুমে প্রথমবার সাপ দেখা গেলে স্থানীয় এক সাপুড়ে ডেকে এনে একটি বড় সাপ, ২৪টি ডিম ও কয়েকটি বাচ্চা উদ্ধার করা হয়। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে মনে হলেও গত রবিবার পুনরায় বিপত্তি ঘটে।
সেদিন জরুরি নথি সংগ্রহের জন্য রেকর্ড রুমে প্রবেশ করতেই সহকারী নাছিমা আক্তার বিশাল আকৃতির আরেকটি সাপের মুখোমুখি হন। তিনি অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পান। এই ঘটনার পর পুরো অফিসেই আতঙ্ক তৈরি হয়।
পরদিন সোমবার সকালে কর্মচারীরা দেখা পান আরও কয়েকটি সাপের চলাচল। তাৎক্ষণিক জেলা রেজিস্ট্রারকে অবহিত করলে তিনি নিরাপত্তার স্বার্থে অফিসের সব কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।
দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আক্তার হোসেন বলেন, “আগামীকাল আবার ওঝা এনে পুরো ভবনে অভিযান চালানো হবে। এর আগেরবার সাপ ধরা হলেও মনে হচ্ছে আরও বাসা বেঁধে ছিল ভেতরে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সাপের টানা উপদ্রবে শুধু সরকারি সেবা কার্যক্রমই নয়, কর্মচারীদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।