০৭:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা: স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার (৭ জুন) দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৯ মে সকালে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আসামি স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের কক্ষে ডেকে নেন। পরবর্তীতে সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচার পেল।’

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার এই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। আদালত তখন রায়ের জন্য রবিবার দিন ধার্য করেছিলেন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছিল এবং অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা সরব ছিলেন। রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহত শিশুটির পরিবার ও এলাকাবাসী।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মাগুরায় নকল কীটনাশক বিক্রি, ব্যবসায়ীকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা: স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

Update Time : ০১:১৪:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রবিবার (৭ জুন) দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী শিশু রামিসা স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। গত ১৯ মে সকালে নিজ বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আসামি স্বপ্না আক্তার কৌশলে তাকে নিজেদের কক্ষে ডেকে নেন। পরবর্তীতে সেখানে শিশুটিকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘আদালতে সাক্ষ্য-প্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি। এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচার পেল।’

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার এই মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। আদালত তখন রায়ের জন্য রবিবার দিন ধার্য করেছিলেন। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছিল এবং অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে স্থানীয়রা সরব ছিলেন। রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিহত শিশুটির পরিবার ও এলাকাবাসী।