মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার ভাকলা গ্রামে অবস্থিত শতাব্দী পোল্ট্রি ফার্মকে উচ্ছেদের চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, কিছু অসাধু ব্যক্তিরা হঠাৎ করে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করে ফার্মটি উচ্ছেদের পায়তারা করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭-১৮ বছর যাবৎ ফার্মটি পরিচালনা করে আসছিলেন সুজিত কুমার ঘোষ। তিনি অসুস্থ হওয়ার কারণে বর্তমানে ফার্মটি পরিচালনা করেন তার স্ত্রী সুমি রাণী ঘোষ। তাদের আয়ের একমাত্র অবলম্বন এই ফার্মটি। যার আয় দিয়ে চলে তাদের সংসার। যেখানে তাদের তিন সন্তানের পড়ালেখার খরচ ও সংসারের আয় ব্যয় চলে এই শতাব্দীর পোল্ট্রি ফার্ম থেকে। এই পোল্ট্রি ফার্মটি এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রেখে আসছে। গত ০৪/০৭/২০২৬ইং তারিখে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল DBC নিউজ এর প্রতিবেদেরন এর প্রেক্ষিতে সরজমিনে গিয়ে দেখতে পাই শতাব্দী পোল্ট্রি ফার্ম থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়টির দূরত্ব প্রায় ১৫০ মিটার। তাছাড়া ফার্মে তেমন কোন ধরনের দূর্গন্ধ নেই বললেই চলে। ফার্মের মুরগীর বিষ্ঠা ফেলার জন্য নির্দিষ্ট স্থান রয়েছে, যেখানে প্রতিনিয়ত জীবানু নাশক ব্যবহার করা হয়। তবে উচ্ছেদের অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি আইন মেনে পরিচালিত হয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোনো ধরনের হয়রানি বা বেআইনি উচ্ছেদের চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য এই ফার্মের মালিক জানান তার একটি মেয়ে ঢাকা মেডিকেলে পড়া- লেখা করছে যার সম্পুর্ন খরচ এবং আরো দুই সন্তানের লেখা পড়ার খরচ এই পোল্ট্রি ফার্ম থেকে বহন করা হয়। ফার্মের মালিক হার্ট ও ডায়াবেটিস রোগে দীর্ঘদিন যাবৎ অসুস্থ। তিনি আরও জানান এই ফার্মটি পরিচালনার ব্যয় বহন করতে এখনও প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা ঋন। ফার্মটি বন্ধ হয়ে গেলে তাদের পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবেনা।

স্টাফ রিপোর্টার, 
















