মাদারীপুরের কালকিনিতে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদের লিখিত ও ভাইভা পরীক্ষা সম্পূর্ণ স্বচ্ছ,নিরপেক্ষ এবং মেধাভিত্তিতে সম্পন্ন হয়েছে। সম্পূর্ণ অনিয়মমুক্ত এই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে না পেরে উত্তীর্ণ হতে ব্যর্থ হয়েছেন স্থানীয় প্রভাবশালী বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের অনেকেই। এর মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে, কোনো ধরনের সুপারিশ বা দলীয় প্রভাব নয়, বরং প্রকৃত মেধাকেই সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন-এর কঠোর নির্দেশনা ছিল—নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের অনিয়ম, স্বজনপ্রীতি বা অনৈতিক সুযোগ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না। কেবল যোগ্য ও মেধাবী প্রার্থীরাই যেন চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হন, সে ব্যাপারে তিনি শুরু থেকেই জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান।
ফলাফল প্রকাশের পর দেখা যায়, সততা ও স্বচ্ছতা বজায় থাকায় রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি পরিবারের সঙ্গে যুক্ত অনেক পরীক্ষার্থী অংশ নিলেও নিজেদের মেধার দৌড়ে টিকতে না পেরে বাদ পড়েছেন। কোনো প্রকার রাজনৈতিক চাপ বা পক্ষপাতিত্ব না থাকায় প্রকৃত মেধাবীরাই ফলাফলে স্থান পেয়েছেন,যা সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।
পরীক্ষা পরিচালনাকারী কালকিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফ উল আরেফীন ও এমপির প্রতিনিধি সিকদার মামুন ও জাকিয়া সুলতানা ও সচেতন মহল জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করার উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করতে পারে। তবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ পরীক্ষার পর কোনো ধরনের উসকানিতে কান না দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজ জানান, কালকিনিতে সরকারি ও সামাজিক কাজের ক্ষেত্রে এই ধরনের মেধাভিত্তিক মূল্যায়ন ও সততার দৃষ্টান্ত ভবিষ্যতে সঠিক নেতৃত্ব ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গঠনে বড় ভূমিকা রাখবে।

কালকিনি প্রতিনিধিঃ 


















