১০:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহমদপুরে নদীভাঙনে তিনবার ঘর হারিয়েছেন, এবার আগুনে পুড়ল সর্বস্ব ঝর্না বেগমের


মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঝামা গ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য মোছাঃ ঝর্না বেগমের
বসত ঘর। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘরসহ ঘরের মালামাল পুড়ে গেছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এতে ফ্রিজ, টেলিভিশন, মোটরসাইকেল, ঘরে থাকা পাট,
আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ প্রায়-১০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা গেছে,, ঝর্না বেগমের পরিবার মধুমতী নদীর ভাঙনে এরই মধ্যে তিনবার বসতভিটা হারিয়ে ঘর সরিয়ে নিয়েছে।

নদীভাঙনের ক্ষতি সামলে নতুন করে ঘর নির্মাণের পর এবার আগুনে তাদের অবশিষ্ট সম্বলও পুড়ে গেছে। স্থানীয় লোকজন কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুনের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রি। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের হাতে শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় উপকরণ তুলে দেন।

এ সময় প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ উপস্থিত ছিলেন।
বারবার নদীভাঙন ও এবার অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে পুনর্বাসন ও মানবিক সহায়তায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের নেতৃত্বে নতুন মুখ, সভাপতি আচ্ছু মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মিলন

মহমদপুরে নদীভাঙনে তিনবার ঘর হারিয়েছেন, এবার আগুনে পুড়ল সর্বস্ব ঝর্না বেগমের

Update Time : ০৬:০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঝামা গ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য মোছাঃ ঝর্না বেগমের
বসত ঘর। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে একটি বসতঘরসহ ঘরের মালামাল পুড়ে গেছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এতে ফ্রিজ, টেলিভিশন, মোটরসাইকেল, ঘরে থাকা পাট,
আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ প্রায়-১০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

জানা গেছে,, ঝর্না বেগমের পরিবার মধুমতী নদীর ভাঙনে এরই মধ্যে তিনবার বসতভিটা হারিয়ে ঘর সরিয়ে নিয়েছে।

নদীভাঙনের ক্ষতি সামলে নতুন করে ঘর নির্মাণের পর এবার আগুনে তাদের অবশিষ্ট সম্বলও পুড়ে গেছে। স্থানীয় লোকজন কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আগুনের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বেদবতী মিস্ত্রি। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের হাতে শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় উপকরণ তুলে দেন।

এ সময় প্রেসক্লাব মহম্মদপুরের (ভারপ্রাপ্ত) সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ উপস্থিত ছিলেন।
বারবার নদীভাঙন ও এবার অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারানো পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে পুনর্বাসন ও মানবিক সহায়তায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।