০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাদ্যসহায়তা নিয়ে নদীভাঙনকবলিত মানুষের পাশে ছুটে গেলেন নবাগত ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে খাদ্যসহায়তা নিয়ে ছুটে গেলেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে তিনি উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকার ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে ইউএনও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন। বসতভিটা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া পরিবারগুলোকে তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে মধুমতি নদীতে পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের তীব্রতা বাড়ায় চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ওই দুই এলাকায় আটটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও গাছপালা।

ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে কিংবা স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। হঠাৎ বসতভিটা হারিয়ে এসব পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে।

এ বিষয়ে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, মধুমতি নদীর ভাঙনের তীব্রতা সরেজমিনে দেখেছি। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন স্থায়ীভাবে রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের বিষয়টিও সরকারি উদ্যোগে বিবেচনা করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

​লন্ডনের গ্রিনউইচ ইউনিভার্সিটি থেকে বায়োমেডিসিনে স্নাতক করলেন কালকিনির সুমাইয়া কনা

খাদ্যসহায়তা নিয়ে নদীভাঙনকবলিত মানুষের পাশে ছুটে গেলেন নবাগত ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব

Update Time : ০৭:১৮:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে খাদ্যসহায়তা নিয়ে ছুটে গেলেন নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিব। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে তিনি উপজেলার চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকার ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করেন। এ সময় ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের প্রত্যেককে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়।

পরিদর্শনকালে ইউএনও নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগ ও ক্ষয়ক্ষতির খোঁজ নেন। বসতভিটা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া পরিবারগুলোকে তাৎক্ষণিক সহায়তার পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে মধুমতি নদীতে পানি বৃদ্ধি ও স্রোতের তীব্রতা বাড়ায় চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর এলাকায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ওই দুই এলাকায় আটটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরও বহু বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমি ও গাছপালা।

ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে কিংবা স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। হঠাৎ বসতভিটা হারিয়ে এসব পরিবার চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে।

এ বিষয়ে ইউএনও মো. জোবায়ের হাবিব বলেন, মধুমতি নদীর ভাঙনের তীব্রতা সরেজমিনে দেখেছি। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সঙ্গে কথা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে জিওব্যাগ ডাম্পিংয়ের মাধ্যমে ভাঙন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন স্থায়ীভাবে রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের বিষয়টিও সরকারি উদ্যোগে বিবেচনা করা হবে।