মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ঘোপ বাওড়ের ব্যক্তি মালিকানাধীন জলাশয়ে মাছ ধরা বন্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাল পতাকা টানানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী জমির মালিকরা। শুক্রবার দুপুরে উপজেলা সদরের বাঔজানি একালার ঘোপ বাঁওড়ের পাড়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

জমির মালিকদের দাবি,উচ্চ আদালতের সুস্পষ্ট রায় থাকা সত্ত্বেও উপজেলা প্রশাসন বেআইনিভাবে তাদের মালিকানা ও জীবিকায় হস্তক্ষেপ করছে।
সংবাদ সম্মেলনে জমির মালিকরা আরও অভিযোগ করেন,
মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহঃ শাহানুর জামান আদালতের আদেশ অমান্য করে ওই ব্যক্তি মালিকানাধীন জলাশয়ে লাল পতাকা লাগিয়ে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছেন। এর ফলে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মালিকপক্ষের দাবি,পাঁচ গ্রামের প্রায় এক থেকে দেড় হাজার পরিবারের পৈতৃক ও ক্রয়সূত্রে পাওয়া এই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াইয়ে তারা বিজয়ী হলেও প্রশাসন গায়ের জোরে তাদের উচ্ছেদের চেষ্টা করছে।
সংবাদ সম্মেলনে জমির মালিকরা ঘোপ বাঁওড় নিয়ে দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরের আইনি লড়াইয়ের তথ্য তুলে ধরেন ২০১০ সালে সহকারী জজ আদালতে (দেওয়ানী ৩০/২০০৬) ১২ জানুয়ারি আদালত জমির মালিকদের পক্ষে রায় দেন। ২০১৩ সালে জেলা জজ আদালতে সরকারের করা আপিল (১০/২০১০) ৩০ জানুয়ারি খারিজ হয়ে যায় এবং মালিকদের পক্ষেই রায় বহাল থাকে।
২০২৪ সালে মহামান্য হাইকোর্টে দীর্ঘ শুনানি শেষে (৩৩২/২০১৬) গত ১২ নভেম্বর সরকার পক্ষ আবারও পরাজিত হয়। বর্তমানে সহকারী জজ আদালতে ৩৩৪/২০২৪ নম্বর মামলায় স্থিরতাবস্থা বা নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে,যা এখনো চলমান।
জমির মালিকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “তিনটি উচ্চতর আদালত যেখানে সরকারকে পরাজিত করে আমাদের মালিকানা স্বীকৃতি দিয়েছে, সেখানে ইউএনও মহোদয় কোন ক্ষমতাবলে লাল পতাকা টানিয়ে আমাদের সম্পত্তিতে প্রবেশে বাধা দিচ্ছেন?
এবিষয়ে মহম্মদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহঃ শাহানুর জামান বলেন আইনের মধ্যে থেকেই ঘোপ বাঁওড়ে লাল পলাকা টানিয়েছি।
স্টাফরিপোর্টার। 



















