০২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় জ্বালানী তেল নিয়েমতবিনিময় সভা


মাগুরায় জ্বালানী তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয় প্রতিরোধে ফিলিং স্টেশন মালিক ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, জ্বালানী তেলের সরবরাহ ও বিক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান। কোনো ধরনের অনিয়ম,অবৈধ মজুদ বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সভায় জানানো হয়,
জেলায় তেলের কোনো ঘাটতি নেই; বরং কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শুধু জরিমানা নয়,সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যারা মজুত ও বিক্রির হিসাব তদারকি করবেন। এছাড়া ডিপো থেকে তেল আনার এক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শুরু না করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, প্রথমবার সতর্ক করা হলেও দ্বিতীয়বার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং তৃতীয়বার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের সঙ্গে অসদাচরণ বা হয়রানি বন্ধে পাম্প মালিকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরো জানা যায়,জ্বালানী তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মাগুরায় জ্বালানী তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয় প্রতিরোধে ফিলিং স্টেশন মালিক ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, জ্বালানী তেলের সরবরাহ ও বিক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান। কোনো ধরনের অনিয়ম,অবৈধ মজুদ বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সভায় জানানো হয়,
জেলায় তেলের কোনো ঘাটতি নেই; বরং কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শুধু জরিমানা নয়,সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যারা মজুত ও বিক্রির হিসাব তদারকি করবেন। এছাড়া ডিপো থেকে তেল আনার এক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শুরু না করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, প্রথমবার সতর্ক করা হলেও দ্বিতীয়বার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং তৃতীয়বার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের সঙ্গে অসদাচরণ বা হয়রানি বন্ধে পাম্প মালিকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরো জানা যায়,জ্বালানী তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মানিকগঞ্জে অবৈধ বালু উত্তোলন ও জুলাই যোদ্ধাদের হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন: অভিযুক্তদের বিচার দাবি

মাগুরায় জ্বালানী তেল নিয়েমতবিনিময় সভা

Update Time : ১০:২৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬


মাগুরায় জ্বালানী তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয় প্রতিরোধে ফিলিং স্টেশন মালিক ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, জ্বালানী তেলের সরবরাহ ও বিক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান। কোনো ধরনের অনিয়ম,অবৈধ মজুদ বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সভায় জানানো হয়,
জেলায় তেলের কোনো ঘাটতি নেই; বরং কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শুধু জরিমানা নয়,সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যারা মজুত ও বিক্রির হিসাব তদারকি করবেন। এছাড়া ডিপো থেকে তেল আনার এক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শুরু না করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, প্রথমবার সতর্ক করা হলেও দ্বিতীয়বার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং তৃতীয়বার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের সঙ্গে অসদাচরণ বা হয়রানি বন্ধে পাম্প মালিকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরো জানা যায়,জ্বালানী তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মাগুরায় জ্বালানী তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রয় প্রতিরোধে ফিলিং স্টেশন মালিক ও সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) বিকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, জ্বালানী তেলের সরবরাহ ও বিক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। তিনি সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনার আহ্বান জানান। কোনো ধরনের অনিয়ম,অবৈধ মজুদ বা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

সভায় জানানো হয়,
জেলায় তেলের কোনো ঘাটতি নেই; বরং কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। এ ধরনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে শুধু জরিমানা নয়,সরাসরি কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যারা মজুত ও বিক্রির হিসাব তদারকি করবেন। এছাড়া ডিপো থেকে তেল আনার এক ঘণ্টার মধ্যে বিক্রি শুরু না করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, প্রথমবার সতর্ক করা হলেও দ্বিতীয়বার মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে এবং তৃতীয়বার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হবে। পাশাপাশি গ্রাহকদের সঙ্গে অসদাচরণ বা হয়রানি বন্ধে পাম্প মালিকদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরো জানা যায়,জ্বালানী তেলের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।