মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ফরিদপুরের বোয়ালমারী মধুমতি নদীর চন্ডিবিলা এলাকায় মৎস্যজীবী সৌখিন খানকে (৩৮) হত্যার ঘটনায় তার পিতা মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা ইউনিয়নের পাল্লা চরপাড়া গ্রামের ছাত্তার খান বাদী হয়ে ফরিদপুরের বোয়ালমারী থানায় শুক্রবার (২৭ জুন) রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
মধুখালী উপজেলার নওপাড়া গ্রামের মৃত সোলেমান মোল্লার ছেলে জব্বার মোল্লা (৩৭)কে প্রধান আসামি করে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন।
মামলা নাম্বার-২৫।এ মামলায় কোন আসামি এখনো আটক করতে পারিনি পুলিশ।ঘটনার পর থেকে জব্বার মোল্লা সহ ঘটনাস্থলে থাকা তিনজন পলাতক রয়েছে।মৎস্যজীবী সৌখিন খান মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার দীঘা ইউনিয়নের পাল্লা চরপাড়া গ্রামের ছাত্তার খানের ছেলে।তার এক মেয়ে এক ছেলে। মেয়েটি জন্ম থেকেই প্রতিবন্ধী জানা গেছে,,গত বুধবার দিবাগত গভীর রাতে ফরিদপুরের বোয়ালমারী ও মধুখালী উপজেলা এবং মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী মধুমতি নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে প্রতিপক্ষ মৎস্যজীবী মধুখালী উপজেলার নওপাড়া গ্রামের মৃত সোলেমান মোল্যার ছেলে জব্বার মোল্যার (৩৭) হাতে থাকা বৈঠার আঘাতে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয় মৎস্যজীবী সৌখিন খান। (২৬ জুন) বৃহস্পতিবার ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ মৎস্যজীবী সৌখিন খানের সন্ধান পায়না।প্রায় ৩কিলোমিটার ভাটিতে ৩০ ঘণ্টা পর শুক্রবার (২৭ জুন) সকালে মহম্মদপুর উপজেলা চরপাচুড়িয়া খেয়াঘাট এলাকায় সৌখিনের লাশ ভেসে উঠলে লাশটি উদ্ধার করা হয়।মহম্মদপুর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠান।মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আব্দুর রহমান বলেন, নিখোঁজ সৌখিন এর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান বলেন,সৌখিন খান হত্যার ঘটনায় বোয়ালমারী থানায় সৌখিন খানের বাবা সাত্তার খান হত্যা মামলার এজাহার দিলে মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।আসামিদের আটকের চেষ্টা চলছে।
সর্বশেষঃ
মৎস্যজীবী সৌখিন হত্যার ঘটনায় বোয়ালমারী থানায় হত্যা মামলা দায়ের
-
স্টাফ রিপোর্টার : - Update Time : ০৭:১০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
- ৫০০ Time View
Popular Post



















