০৮:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শীতে রঙের উৎসব-গাঁদা ফুলে ভরে উঠছে প্রকৃতি


শীতের আগমনে মাগুরার বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রাম অঞ্চলের ফুলের বাগান,গ্রামীণ প্রান্তর ও বাড়ি আঙিনায় ভরে উঠেছে রঙিন গাঁদা ফুলে। কুয়াশামাখা সকাল থেকে নরম রোদ-সবসময়ই চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে অন্যরকম এক মোহময়তা। প্রকৃতি যেন গাঁদার রঙে রঙে সাজিয়ে তুলেছে শীতের দিনগুলোকে।
স্থানীয়রা জানান,সাধারণত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গাঁদার চারা রোপণ করা হয়।
এরপর নভেম্বরের শেষ দিক থেকে ফুল ফোটা শুরু হয়ে শীতকাল জুড়েই গাঁদা ফুল প্রকৃতি ভরে রাখে। সবচেয়ে বেশি ফুল ফোটে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত,আর অনেক ক্ষেত্রেই মার্চের শুরু পর্যন্ত গাছ ভরে থাকে ফুলে ফুলে।এ সময়টাই গাঁদা ফুলের মৌসুম হিসেবে ধরা হয়।
গাঁদা ফুলের রয়েছে বিভিন্ন জাত ও বৈচিত্র্য।
স্থানীয় দেশি জাত ও হাইব্রিড জাতের গাঁদা। রঙের দ্যুতি এ ফুলের বিশেষ আকর্ষণ-গাঢ় কমলা,হালকা কমলা,উজ্জ্বল হলুদ,সোনালি হলুদ ও কমলা-লালচে রঙের গাঁদা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।সুগন্ধ তীব্র না হলেও হালকা সতেজ ঘ্রাণ চারপাশে এনে দেয় প্রশান্তির অনুভূতি।
শুধু সৌন্দর্য নয়,ব্যবহারেও গাঁদার কদর সমান। বিবাহ অনুষ্ঠান,সাংস্কৃতিক আয়োজন,ধর্মীয় ও জাতীয় দিবস,রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক উৎসব-সব জায়গাতেই গাঁদা ফুলের মালা,হার ও সাজসজ্জার ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে।
গাঁদা ফুল কেবল চোখের আরামই দেয় না,বরং মৌমাছি ও পরাগায়নকারী পোকামাকড় আকৃষ্ট করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে প্রকৃতিও হয় আরও প্রাণবন্ত,বর্ণিল ও জীবন্ত।
শীতের এই সময়ে তাই মাঠে তাকালে দেখা যায়-
রোদ আর কুয়াশার মাঝখানে দুলছে হাজারো রঙের গাঁদা ফুল,প্রকৃতি যেন এভাবেই জানিয়ে দিচ্ছে, রঙের উৎসবেই শীতের আসল সৌন্দর্য।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

আলফাডাঙ্গায় এক খুনের রেশ কাটতে না কাটতেই আরেক খুন, ২৩ জনের নামে হত্যা মামলা

শীতে রঙের উৎসব-গাঁদা ফুলে ভরে উঠছে প্রকৃতি

Update Time : ১১:২৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬


শীতের আগমনে মাগুরার বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রাম অঞ্চলের ফুলের বাগান,গ্রামীণ প্রান্তর ও বাড়ি আঙিনায় ভরে উঠেছে রঙিন গাঁদা ফুলে। কুয়াশামাখা সকাল থেকে নরম রোদ-সবসময়ই চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে অন্যরকম এক মোহময়তা। প্রকৃতি যেন গাঁদার রঙে রঙে সাজিয়ে তুলেছে শীতের দিনগুলোকে।
স্থানীয়রা জানান,সাধারণত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত গাঁদার চারা রোপণ করা হয়।
এরপর নভেম্বরের শেষ দিক থেকে ফুল ফোটা শুরু হয়ে শীতকাল জুড়েই গাঁদা ফুল প্রকৃতি ভরে রাখে। সবচেয়ে বেশি ফুল ফোটে ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত,আর অনেক ক্ষেত্রেই মার্চের শুরু পর্যন্ত গাছ ভরে থাকে ফুলে ফুলে।এ সময়টাই গাঁদা ফুলের মৌসুম হিসেবে ধরা হয়।
গাঁদা ফুলের রয়েছে বিভিন্ন জাত ও বৈচিত্র্য।
স্থানীয় দেশি জাত ও হাইব্রিড জাতের গাঁদা। রঙের দ্যুতি এ ফুলের বিশেষ আকর্ষণ-গাঢ় কমলা,হালকা কমলা,উজ্জ্বল হলুদ,সোনালি হলুদ ও কমলা-লালচে রঙের গাঁদা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়।সুগন্ধ তীব্র না হলেও হালকা সতেজ ঘ্রাণ চারপাশে এনে দেয় প্রশান্তির অনুভূতি।
শুধু সৌন্দর্য নয়,ব্যবহারেও গাঁদার কদর সমান। বিবাহ অনুষ্ঠান,সাংস্কৃতিক আয়োজন,ধর্মীয় ও জাতীয় দিবস,রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক উৎসব-সব জায়গাতেই গাঁদা ফুলের মালা,হার ও সাজসজ্জার ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে।
গাঁদা ফুল কেবল চোখের আরামই দেয় না,বরং মৌমাছি ও পরাগায়নকারী পোকামাকড় আকৃষ্ট করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে প্রকৃতিও হয় আরও প্রাণবন্ত,বর্ণিল ও জীবন্ত।
শীতের এই সময়ে তাই মাঠে তাকালে দেখা যায়-
রোদ আর কুয়াশার মাঝখানে দুলছে হাজারো রঙের গাঁদা ফুল,প্রকৃতি যেন এভাবেই জানিয়ে দিচ্ছে, রঙের উৎসবেই শীতের আসল সৌন্দর্য।