—সৈয়দা রাশিদা বারী
আজ শিক্ষার্থীদের বুঝতে ভালো লাগে।
আজ সমন্বয়কদের জানতে ভালো লাগে।
আজ উপদেষ্টাদের মানতে ভালো লাগে।
তাদের দৃঢ় প্রত্যয়ে চলছে এখন দেশ
৫ই আগষ্টের পর থেকে বেশ।
রংপুরের আবু সাঈদের বাংলাদেশ।
উত্তরায় মৃত্যুবরণ করা মুগ্ধর বাংলাদেশ।
এখানে সবাই আছে সুখে বেশ।
আজকের খুশির জোয়ারে তাদের রক্তের রেশ।
এই আবেশে গান লিখেছেন গীতিকাররা
নেচে নেচে গাইছে সে গান শিল্পীরা
সাংবাদিকরা করেছে সহযোগিতা
লিখেছেন লেখকরা প্রবন্ধ গল্প কবিতা কতো
ধরাণা সমন্বয়করাই সুখ এনেছে শত।
এনেছে শেখ হাসিনা সরকারের পতন
পতন আনতে দিয়েছে কতই জীবন।
দেশ থেকে সরাতে ফ্যাসিবাদী স্বৈরাশাসন
জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের,
ডেফোডিল ইউনিভার্সিটির,
ব্রাক ইউনিভার্সিটির,
৩ছাত্রও দিয়ে দিলো অকাতরে প্রাণ!
বিগত সরকারদের ৫৩ বছরের দুর্নীতির ঋণ!
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন
ও নাগরিক কমিটির সমন্বয়কদের,
কিভাবে দেবে সেই ব্যথার দান
আমার পক্ষ থেকেও তাদের জানায় শুভানন্দন
রইলো অনেক অনেক অভিনন্দন, শুভ কামনা।
নাহিদ, সারজিস, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের
আহবায়ক- হাসনাত আব্দুল্লাহ,
অন্যতম নারী সমন্বয়ক নুসরাত তাবাসসুম,
রইলো তাদের জন্যও ভালোবাসা।
স্নেহশীষ শুভেচ্ছা শুভকামনা ও
হৃদয় নিংড়ানো অভিনন্দন।
৫২’র বাংলা ভাষার দায়ে গড়া সেই বাংলাদেশ!
১৯ বছরের ১৯৭১রের রেশ।
এখনকার এই বাংলাদেশ তোমাদের।
ঐ বাংলাদেশ এখন- এখনকার প্রজন্মদের।
নিজস্ব প্রতিবেদক 









