০৬:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরিচা ফেরিঘাটে নিম্নমানের সামগ্রীতে নির্মাণ হচ্ছে ডিজিটাল ওয়েস্কেল

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা ফেরিঘাটে নিম্নমানের সামগ্রীতে ডিজিটাল ওয়েস্কেল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে দায়সাড়া কাজ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি জানতে যোগাযোগ করা হলে নিম্নমানের কাজ হচ্ছে না বলেই ফোন কেটে দেন বিআইডব্লিউটিসির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. নুরে আলম।

জানা যায়, আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটের ফেরিতে নির্ধারিত ওজনের অতিরিক্ত পণ্য যানবাহনে যাতে বহন করতে না পারে, সেজন্য ডিজিটাল ওয়েস্কেল নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রাক্কলিত ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে রাফি এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ শুরু করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওয়েস্কেলটি নির্মাণে নিম্নমানের ইট, খোয়া, ডাস্ট মিক্সড সিলেট সেন্ড ও লোকাল বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। ১.৫ এফএম বালু দেয়ার কথা থাকলেও লোকাল নিম্নমানের বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। গাথুনিতে পুরনো ইট ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকাশ্যে নির্মাণ কাজ দেখে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রতিবেদকের কাছে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার নানা অভিযোগ তুলে ধরেছেন স্থানীয়রা।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. ফিরোজ জানান, ভাটায় ১ নম্বর ইটের অর্ডার দিলে ওই ইটগুলো সরবরাহ করেছে। বালুও একইভাবে আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নির্মাণ সামগ্রী দেখে গেছেন। তাদের অনুমতি নিয়েই এগুলো দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

আরিচা কার্যালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, বিষয়টি প্রধান কার্যালয় থেকে তদারকি করছে। তাই তার কাছে নির্মাণ সংক্রান্ত কোন তথ্য নেই।

এ ব্যাপারে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বিআইডব্লিউটিসির প্রধান কার্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. নুরে আলম বলেন,‘আমি গিয়ে নির্মাণ সামগ্রী দেখেছি। সেখানে কোন নিম্নমানের কাজ হচ্ছে না।’ ঢাকা অফিসে আসেন বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।

নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম নাসির উদ্দিন বলেন,‘ওয়েস্কেল নির্মাণ কমিটিতে আমাকে রাখা হয়নি। তারপরও বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো।’

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সার্ক গঠন থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানে শহীদ জিয়ার অবদান অনন্য — খন্দকার নাসিরুল ইসলাম

আরিচা ফেরিঘাটে নিম্নমানের সামগ্রীতে নির্মাণ হচ্ছে ডিজিটাল ওয়েস্কেল

Update Time : ১১:৩৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা ফেরিঘাটে নিম্নমানের সামগ্রীতে ডিজিটাল ওয়েস্কেল নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এতে দায়সাড়া কাজ করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অপচেষ্টা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি জানতে যোগাযোগ করা হলে নিম্নমানের কাজ হচ্ছে না বলেই ফোন কেটে দেন বিআইডব্লিউটিসির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. নুরে আলম।

জানা যায়, আরিচা-কাজিরহাট নৌরুটের ফেরিতে নির্ধারিত ওজনের অতিরিক্ত পণ্য যানবাহনে যাতে বহন করতে না পারে, সেজন্য ডিজিটাল ওয়েস্কেল নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রাক্কলিত ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে রাফি এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ শুরু করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, ওয়েস্কেলটি নির্মাণে নিম্নমানের ইট, খোয়া, ডাস্ট মিক্সড সিলেট সেন্ড ও লোকাল বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। ১.৫ এফএম বালু দেয়ার কথা থাকলেও লোকাল নিম্নমানের বালু ব্যবহার করা হচ্ছে। গাথুনিতে পুরনো ইট ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকাশ্যে নির্মাণ কাজ দেখে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এ প্রতিবেদকের কাছে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার নানা অভিযোগ তুলে ধরেছেন স্থানীয়রা।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. ফিরোজ জানান, ভাটায় ১ নম্বর ইটের অর্ডার দিলে ওই ইটগুলো সরবরাহ করেছে। বালুও একইভাবে আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নির্মাণ সামগ্রী দেখে গেছেন। তাদের অনুমতি নিয়েই এগুলো দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

আরিচা কার্যালয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, বিষয়টি প্রধান কার্যালয় থেকে তদারকি করছে। তাই তার কাছে নির্মাণ সংক্রান্ত কোন তথ্য নেই।

এ ব্যাপারে ফোনে যোগাযোগ করা হলে বিআইডব্লিউটিসির প্রধান কার্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. নুরে আলম বলেন,‘আমি গিয়ে নির্মাণ সামগ্রী দেখেছি। সেখানে কোন নিম্নমানের কাজ হচ্ছে না।’ ঢাকা অফিসে আসেন বলেই ফোন কেটে দেন তিনি।

নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী বিষয়ে বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম নাসির উদ্দিন বলেন,‘ওয়েস্কেল নির্মাণ কমিটিতে আমাকে রাখা হয়নি। তারপরও বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো।’