০১:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন,ফুটপাতে গরম কাপড় কেনায় ভিড়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:০০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩০৫ Time View

স্টাফরিপোর্টার মাগুরা।


মাগুরায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।শীতের শুরুতেই শহরসহ
বিভিন্ন উপজেলা ও হাটবাজারে এলাকায় জমে উঠেছে ফুটপাতের গরম কাপড়ের বাজার।
বিশেষ করে মাগুরা শহরের প্রাণকেন্দ্র সদর থানার সামনে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকেই সোয়েটার, জ্যাকেট,কোট,কার্ডিগানসহ বিভিন্ন উষ্ণ পোশাক কেনার হিড়িক পড়ে যাচ্ছে।নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য এসব ফুটপাতের বেলের কাপড় হয়ে উঠেছে স্বস্তির ভরসা।
শনিবার রাতে সরেজমিনে দেখা যায়,শীতের মৌসুমে কমদামে পাওয়া যাচ্ছে নানা ধরনের সোয়েটার, জ্যাকেট,কোট,টুপি,গ্লাভস ও উলের মোজা।
বিশেষ করে ঠান্ডা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।
বিক্রেতা মো.রাসেল বলেন, “প্রতিবছর চট্টগ্রাম থেকে বেলের সোয়েটার ও জ্যাকেট নিয়ে আসি। সোয়েটারের বেল ১১–১২ হাজার টাকা আর জ্যাকেটের বেল ১৬–২০ হাজার টাকায় কিনতে হয়। শীতের এই ৩ মাসই আমাদের ব্যবসার সময়।শীত যত বেশি,বিক্রিও তত বেশি।
বিক্রেতা এনায়েত হোসেন জানান,“শীতকালে সোয়েটার,জ্যাকেট,কোট, টুপি,গ্লাভস সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।এখানে ১০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকার মধ্যেই বিভিন্ন মানের কাপড় পাওয়া যায়।গত ৭-৮ দিন তীব্র শীত থাকায় বিক্রি অনেক বেড়েছে,এতে আমরা খুশি।
আরেক বিক্রেতা তরিকুল ইসলাম বলেন,“জ্যাকেটের বেল ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পড়ে। সাধারণত এক বেলে ১৮০ পিস লেখা থাকলেও কখনো ১২০ থেকে ১৬০ পিসও আসে।প্রায় ১৮ বছর ধরে আমি এ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।”
তীব্র শীতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।রিকশাচালক আলী হোসেন বলেন,“শীতে রাস্তায় বের হওয়াই কষ্টকর।যাত্রীও কম পাওয়া যায়।তারপরও পরিবার চালাতে গরম কাপড় কিনতেই হলো।তবে কিছুটা দাম বেড়েছে।
তীব্র শীতের প্রভাবে জেলার বিভিন্ন সড়কে দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে,এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
ইসলামপুর পাড়ার বাসিন্দা সাইদুর রহমান বলেন, “মাগুরায় প্রচণ্ড শীত পড়ছে।  তাই নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের জন্য ফুটপাতের গরম কাপড় বড় ভরসা। তুলনামূলক কম দামে এখান থেকে ভালো কাপড় পাওয়া যায়।
এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে।শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারি-বেসরকারি সহায়তা কার্যক্রমের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

সার্ক গঠন থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানে শহীদ জিয়ার অবদান অনন্য — খন্দকার নাসিরুল ইসলাম

মাগুরায় তীব্র শীতে বিপর্যস্ত জনজীবন,ফুটপাতে গরম কাপড় কেনায় ভিড়

Update Time : ০৩:০০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

স্টাফরিপোর্টার মাগুরা।


মাগুরায় তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।শীতের শুরুতেই শহরসহ
বিভিন্ন উপজেলা ও হাটবাজারে এলাকায় জমে উঠেছে ফুটপাতের গরম কাপড়ের বাজার।
বিশেষ করে মাগুরা শহরের প্রাণকেন্দ্র সদর থানার সামনে প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকেই সোয়েটার, জ্যাকেট,কোট,কার্ডিগানসহ বিভিন্ন উষ্ণ পোশাক কেনার হিড়িক পড়ে যাচ্ছে।নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য এসব ফুটপাতের বেলের কাপড় হয়ে উঠেছে স্বস্তির ভরসা।
শনিবার রাতে সরেজমিনে দেখা যায়,শীতের মৌসুমে কমদামে পাওয়া যাচ্ছে নানা ধরনের সোয়েটার, জ্যাকেট,কোট,টুপি,গ্লাভস ও উলের মোজা।
বিশেষ করে ঠান্ডা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ক্রেতাদের উপস্থিতি।
বিক্রেতা মো.রাসেল বলেন, “প্রতিবছর চট্টগ্রাম থেকে বেলের সোয়েটার ও জ্যাকেট নিয়ে আসি। সোয়েটারের বেল ১১–১২ হাজার টাকা আর জ্যাকেটের বেল ১৬–২০ হাজার টাকায় কিনতে হয়। শীতের এই ৩ মাসই আমাদের ব্যবসার সময়।শীত যত বেশি,বিক্রিও তত বেশি।
বিক্রেতা এনায়েত হোসেন জানান,“শীতকালে সোয়েটার,জ্যাকেট,কোট, টুপি,গ্লাভস সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।এখানে ১০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকার মধ্যেই বিভিন্ন মানের কাপড় পাওয়া যায়।গত ৭-৮ দিন তীব্র শীত থাকায় বিক্রি অনেক বেড়েছে,এতে আমরা খুশি।
আরেক বিক্রেতা তরিকুল ইসলাম বলেন,“জ্যাকেটের বেল ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পড়ে। সাধারণত এক বেলে ১৮০ পিস লেখা থাকলেও কখনো ১২০ থেকে ১৬০ পিসও আসে।প্রায় ১৮ বছর ধরে আমি এ ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।”
তীব্র শীতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।রিকশাচালক আলী হোসেন বলেন,“শীতে রাস্তায় বের হওয়াই কষ্টকর।যাত্রীও কম পাওয়া যায়।তারপরও পরিবার চালাতে গরম কাপড় কিনতেই হলো।তবে কিছুটা দাম বেড়েছে।
তীব্র শীতের প্রভাবে জেলার বিভিন্ন সড়কে দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে,এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
ইসলামপুর পাড়ার বাসিন্দা সাইদুর রহমান বলেন, “মাগুরায় প্রচণ্ড শীত পড়ছে।  তাই নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের জন্য ফুটপাতের গরম কাপড় বড় ভরসা। তুলনামূলক কম দামে এখান থেকে ভালো কাপড় পাওয়া যায়।
এদিকে শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে।শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকারি-বেসরকারি সহায়তা কার্যক্রমের দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।