০১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোন নির্বাচন আগে হবে, নির্ধারণ করবে সরকার: ইসি কমিশনার সানাউল্লাহ

নির্বাচনের আগে-পরে হওয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নয়, বরং সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে—এমন মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

বুধবার (২১ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, নির্বাচনি প্রচার বিধিমালা এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালার খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ইসি কমিশনার বলেন, “সংশ্লিষ্ট কমিটি খসড়াগুলো চূড়ান্ত করে কমিশনে উপস্থাপন করবে। তবে কিছু সংস্কার প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিষয়গুলো সংযুক্ত থাকায় এখনই চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। আচরণবিধি সংশোধনের পরই এগুলো চূড়ান্ত হবে।”

‘ন্যাশনাল কনসেনসাস ফর পিস’ (এনসিপি) নামের একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আন্দোলন এবং কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, “রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করতে চাই না। নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং তা ভবিষ্যতেও করবে।”

নির্বাচনের ক্রম নিয়ে তিনি বলেন, “কোন নির্বাচন আগে বা পরে হবে, সে সিদ্ধান্ত কমিশনের হাতে নেই। এটি সরকারের এখতিয়ার। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন করা।”

আদালতে কমিশনকে পক্ষভুক্ত করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৫০ অনুচ্ছেদ, সিটি করপোরেশন আইন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিধিমালায় কোথাও কমিশনকে পক্ষভুক্ত করার সুযোগ নেই। স্বাধীনতার পর থেকে কখনও কমিশন নিজ উদ্যোগে পক্ষভুক্ত হয়েছে বা আপিল করেছে এমন নজিরও নেই।”

প্রচারণা তত্ত্বাবধান প্রসঙ্গে তিনি জানান, “নির্বাচনি প্রচারণা ইসির তত্ত্বাবধানে আনার প্রস্তাবও নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত করতে কিছুটা সময় লাগবে।”

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

কালকিনিতে নতুন ইউএনওকে গ্রাম পুলিশের শুভেচ্ছা

কোন নির্বাচন আগে হবে, নির্ধারণ করবে সরকার: ইসি কমিশনার সানাউল্লাহ

Update Time : ০৭:৪৭:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

নির্বাচনের আগে-পরে হওয়ার বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নয়, বরং সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে—এমন মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

বুধবার (২১ মে) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি জানান, নির্বাচনি প্রচার বিধিমালা এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালার খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ইসি কমিশনার বলেন, “সংশ্লিষ্ট কমিটি খসড়াগুলো চূড়ান্ত করে কমিশনে উপস্থাপন করবে। তবে কিছু সংস্কার প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিষয়গুলো সংযুক্ত থাকায় এখনই চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়নি। আচরণবিধি সংশোধনের পরই এগুলো চূড়ান্ত হবে।”

‘ন্যাশনাল কনসেনসাস ফর পিস’ (এনসিপি) নামের একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের আন্দোলন এবং কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে কমিশনার বলেন, “রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে আমরা কোনো মন্তব্য করতে চাই না। নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছে এবং তা ভবিষ্যতেও করবে।”

নির্বাচনের ক্রম নিয়ে তিনি বলেন, “কোন নির্বাচন আগে বা পরে হবে, সে সিদ্ধান্ত কমিশনের হাতে নেই। এটি সরকারের এখতিয়ার। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজন করা।”

আদালতে কমিশনকে পক্ষভুক্ত করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৫০ অনুচ্ছেদ, সিটি করপোরেশন আইন, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিধিমালায় কোথাও কমিশনকে পক্ষভুক্ত করার সুযোগ নেই। স্বাধীনতার পর থেকে কখনও কমিশন নিজ উদ্যোগে পক্ষভুক্ত হয়েছে বা আপিল করেছে এমন নজিরও নেই।”

প্রচারণা তত্ত্বাবধান প্রসঙ্গে তিনি জানান, “নির্বাচনি প্রচারণা ইসির তত্ত্বাবধানে আনার প্রস্তাবও নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। তবে এটি চূড়ান্ত করতে কিছুটা সময় লাগবে।”