০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাগুরায় মিনহা নার্সারী করে সফল হুমায়ুন আহমেদ 

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৬:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩৯৭ Time View

স্টাফরিপোর্টারঃ
ফুলের প্রতি ভালবাসায় আবদ্ধ হয়ে বেসরকারী কোম্পানীর চাকুরি ছেড়ে নার্সারী ব্যবসায় সফল হয়েছেন,মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নিখড়া গ্রামের মোঃ হুমায়ূন আহমেদ নামের এক যুবক। 
সে ওই গ্রামের আব্দুল হামিদ মোল্লার জ্যোষ্ঠ পুত্র। 
এ বিষয়ে সফল উদ্যোক্তা হুমায়ূন আহমেদ জানান,, 
তিনি একটি বেসরকারী কোম্পানীতে চাকুরি করতেন।
হঠাৎ চাকুরি ছেড়ে দিয়ে উপজেলার নিখড়হাটা গ্রামে নিজ বাড়ির উঠানে প্রথমে কিছু ফুলের চারা ও সবজি  দিয়ে শুরু করেন।পরে ফুলের চারার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মিনহা নার্সারী নামকরণ করে সাইনবোর্ড টানিয়ে ব্যবসা শুরু করেন।পরে কঠিন পরিশ্রম করে মোঃ হুমায়ূন আহমেদ ভ্যান যোগে বিভিন্ন স্কুল কলেজের সামনে ও হাটবাজারে তার নার্সারীর উৎপাদিত ফুল ফলের যারা বিক্রয় শুরু করেন।পিতা,মাতা,স্ত্রী,সন্তানসহ পরিবারের-৮সদস্যর খরচ ও হাল ধরতে হুমায়ূন আহমেদ,মহম্মদপুরে সদরে আরও তিনটি নার্সারী শাখা তিনি বৃদ্ধি করেন।উপজেলার জাঙ্গালিয়া সেতুর আশপাশে মিনহা নার্সারী তিনটি শাখা রয়েছে।”গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মিনহা নার্সারীতে সকল প্রকার দেশী-বিদেশী ফুল,ফল,ঔষধী,বনজ,মশলা জাতীয় গাছের চারা ক্রয় করতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে মানুষের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।১৩  বছর হয়েছে ছয় হাজার টাকা হাতে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ নার্সারী ব্যবসার দিকে ঝুঁকে পড়েন।বর্তমানে এই নার্সারীতে 
৩৯৬ রকমের বিভিন্ন দেশী-বিদেশী গাছের চারা রয়েছে।উন্নত মানের চারা যেমন, অ্যাভোকাডো,দরিয়ান,রামবুটান,পার্সিমন,ব্রেকফুট, আপেল নাশপাতি,মিষ্টি জলপাই,মিষ্টিক কর্মচা,মিষ্টি তেতুল,থাই লাল মিষ্টি তেতুল,দেশী টক-তেঁতুল,পাঁচ কেজি ওজনের বেল,আঙ্গুর,আনার,মামি সবেদা,থাই  লম্বা সবেদা,লাল জাম্বুরা,থাইস সাদা জাম্বুরা,থাই শরিফা,মিশরী শরিফা,সুইডেনের শরিফা,জাপানের  ব্রুনাই কিং আম একটি আমের ওজন ৪ থেকে ৫ কেজি,থাই ব্যানানা কিংআম,চেরী ফল।ক্যান্সার প্রতিষেধক করছল,ননী ফল,ডকমাই আম, রেড পাল্লার আম,bn7 আম,রেড আইবেরী আম,কিউজিআই আম,বারোমাসি কাটিমন আম, এছাড়াও সকল প্রকার আমের দেশী-বিদেশী ভ্যারাইটি পাবেন।১২মাসের সজনে টাল ছাড়া সিম, 
টাল ছাড়া বরবটি,টাল ছাড়া শশা,ইত্যাদি সবজি গাছের চারা লাল অগ্নিশ্বর কলা,জি নাইন কলা,সৌদি খেজুর,ব্ল্যাকবেরি,লং ভেরী,স্ট্রবেরী,ফলং ঔষধী,বনজ মসলা ও সবজি গাছের চারা পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করা হয়।আম মিষ্টি কর্মচা,অস্ট্রেলিয়ান জাম,কোরিয়ান জাম,মিষ্টি জলপাই,সাদা জাম লাল জাম্বুরা সাদা ঠাই জাম্বুরা,ভিয়েতনামি নারকেল,আঠা বিহীন কাঁঠাল,মিষ্টি তেতুল কাজুবাদাম,রুটি ফল,রাবার গাছ, ডাইবেটিসের গাছ,১ মাসের সজনে, থাই ১২ মাসে কাঁঠাল,মামি সবেদা,২ কেজি ওজন মিশরের শরীফা, সুইডেনের শরিফা,থাই শরিফা,থাই গোল্ডেন কালার শরিফা,থাই বেগুনি কালার শরিফা এ ছাড়া সৌদি খেজুর,আজও খেজুর, মরিয়ম খেজুর,বরই খেজুর।করসাল গাছ, ওষুধ ক্যান্সার প্রতিশোধক এক ফ্রুট ও ইত্যাদি গাছের চারা।পরিশ্রম মানুষের সফলতা বয়ে আনে তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হুমায়ূন আহমেদ।জানা গেছে,,ইংরেজী ১৬-১৭-১৮ সালে পরপর তিন বছর জেলা কৃষি মেলায় প্রথম পুরস্কারে ভূষিত হন।সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রাপ্ত হন হুমায়ূন আহমেদ।তিনি আরো জানান বর্তমানে নার্সারী থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় রয়েছে।চারটি নার্সারী খরচ চালাতে প্রতিমাসে ব্যয় হয় এক লাখ টাকা।মহম্মদপুরের এলাংখালী এলাকায় মধুমতি ব্রীজের পাশে মরাস্তার উত্তর এবং দক্ষিণ পাশে মিনহা নার্সারী অবস্থিত।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

এতিমদের পাশে আজীবনের অঙ্গীকার: প্রতি মাসে ১০০ কেজি চাল দেবেন মরিশাসপ্রবাসী আকাশ মিয়া

মাগুরায় মিনহা নার্সারী করে সফল হুমায়ুন আহমেদ 

Update Time : ০৬:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

স্টাফরিপোর্টারঃ
ফুলের প্রতি ভালবাসায় আবদ্ধ হয়ে বেসরকারী কোম্পানীর চাকুরি ছেড়ে নার্সারী ব্যবসায় সফল হয়েছেন,মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার নিখড়া গ্রামের মোঃ হুমায়ূন আহমেদ নামের এক যুবক। 
সে ওই গ্রামের আব্দুল হামিদ মোল্লার জ্যোষ্ঠ পুত্র। 
এ বিষয়ে সফল উদ্যোক্তা হুমায়ূন আহমেদ জানান,, 
তিনি একটি বেসরকারী কোম্পানীতে চাকুরি করতেন।
হঠাৎ চাকুরি ছেড়ে দিয়ে উপজেলার নিখড়হাটা গ্রামে নিজ বাড়ির উঠানে প্রথমে কিছু ফুলের চারা ও সবজি  দিয়ে শুরু করেন।পরে ফুলের চারার চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মিনহা নার্সারী নামকরণ করে সাইনবোর্ড টানিয়ে ব্যবসা শুরু করেন।পরে কঠিন পরিশ্রম করে মোঃ হুমায়ূন আহমেদ ভ্যান যোগে বিভিন্ন স্কুল কলেজের সামনে ও হাটবাজারে তার নার্সারীর উৎপাদিত ফুল ফলের যারা বিক্রয় শুরু করেন।পিতা,মাতা,স্ত্রী,সন্তানসহ পরিবারের-৮সদস্যর খরচ ও হাল ধরতে হুমায়ূন আহমেদ,মহম্মদপুরে সদরে আরও তিনটি নার্সারী শাখা তিনি বৃদ্ধি করেন।উপজেলার জাঙ্গালিয়া সেতুর আশপাশে মিনহা নার্সারী তিনটি শাখা রয়েছে।”গাছ লাগান পরিবেশ বাঁচান” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মিনহা নার্সারীতে সকল প্রকার দেশী-বিদেশী ফুল,ফল,ঔষধী,বনজ,মশলা জাতীয় গাছের চারা ক্রয় করতে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে মানুষের উপস্থিতি দেখা যাচ্ছে।১৩  বছর হয়েছে ছয় হাজার টাকা হাতে নিয়ে হুমায়ূন আহমেদ নার্সারী ব্যবসার দিকে ঝুঁকে পড়েন।বর্তমানে এই নার্সারীতে 
৩৯৬ রকমের বিভিন্ন দেশী-বিদেশী গাছের চারা রয়েছে।উন্নত মানের চারা যেমন, অ্যাভোকাডো,দরিয়ান,রামবুটান,পার্সিমন,ব্রেকফুট, আপেল নাশপাতি,মিষ্টি জলপাই,মিষ্টিক কর্মচা,মিষ্টি তেতুল,থাই লাল মিষ্টি তেতুল,দেশী টক-তেঁতুল,পাঁচ কেজি ওজনের বেল,আঙ্গুর,আনার,মামি সবেদা,থাই  লম্বা সবেদা,লাল জাম্বুরা,থাইস সাদা জাম্বুরা,থাই শরিফা,মিশরী শরিফা,সুইডেনের শরিফা,জাপানের  ব্রুনাই কিং আম একটি আমের ওজন ৪ থেকে ৫ কেজি,থাই ব্যানানা কিংআম,চেরী ফল।ক্যান্সার প্রতিষেধক করছল,ননী ফল,ডকমাই আম, রেড পাল্লার আম,bn7 আম,রেড আইবেরী আম,কিউজিআই আম,বারোমাসি কাটিমন আম, এছাড়াও সকল প্রকার আমের দেশী-বিদেশী ভ্যারাইটি পাবেন।১২মাসের সজনে টাল ছাড়া সিম, 
টাল ছাড়া বরবটি,টাল ছাড়া শশা,ইত্যাদি সবজি গাছের চারা লাল অগ্নিশ্বর কলা,জি নাইন কলা,সৌদি খেজুর,ব্ল্যাকবেরি,লং ভেরী,স্ট্রবেরী,ফলং ঔষধী,বনজ মসলা ও সবজি গাছের চারা পাইকারী ও খুচরা বিক্রয় করা হয়।আম মিষ্টি কর্মচা,অস্ট্রেলিয়ান জাম,কোরিয়ান জাম,মিষ্টি জলপাই,সাদা জাম লাল জাম্বুরা সাদা ঠাই জাম্বুরা,ভিয়েতনামি নারকেল,আঠা বিহীন কাঁঠাল,মিষ্টি তেতুল কাজুবাদাম,রুটি ফল,রাবার গাছ, ডাইবেটিসের গাছ,১ মাসের সজনে, থাই ১২ মাসে কাঁঠাল,মামি সবেদা,২ কেজি ওজন মিশরের শরীফা, সুইডেনের শরিফা,থাই শরিফা,থাই গোল্ডেন কালার শরিফা,থাই বেগুনি কালার শরিফা এ ছাড়া সৌদি খেজুর,আজও খেজুর, মরিয়ম খেজুর,বরই খেজুর।করসাল গাছ, ওষুধ ক্যান্সার প্রতিশোধক এক ফ্রুট ও ইত্যাদি গাছের চারা।পরিশ্রম মানুষের সফলতা বয়ে আনে তার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হুমায়ূন আহমেদ।জানা গেছে,,ইংরেজী ১৬-১৭-১৮ সালে পরপর তিন বছর জেলা কৃষি মেলায় প্রথম পুরস্কারে ভূষিত হন।সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রাপ্ত হন হুমায়ূন আহমেদ।তিনি আরো জানান বর্তমানে নার্সারী থেকে ৫০ হাজার টাকা আয় রয়েছে।চারটি নার্সারী খরচ চালাতে প্রতিমাসে ব্যয় হয় এক লাখ টাকা।মহম্মদপুরের এলাংখালী এলাকায় মধুমতি ব্রীজের পাশে মরাস্তার উত্তর এবং দক্ষিণ পাশে মিনহা নার্সারী অবস্থিত।