রাজনীতির পরিচয়ের আড়ালে এক ভিন্ন জীবনযাপনে লিপ্ত মাগুরার আলোচিত মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী জোয়ার্দার স্বর্ণালী ওরফে রিয়া। ঢাকার অভিজাত এলাকা বসুন্ধরার ভাড়াবাসায় অবস্থান নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, ব্ল্যাকমেইলিং, চাঁদাবাজি এবং মাদক সংশ্লিষ্টতার মতো নানা অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
শ্রীপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে পরিচিত রিয়া ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও বর্তমানে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুজ্জামান শেখরের ঘনিষ্ঠ। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তিনি আর মাগুরায় ফেরেননি। বরং রাজধানীর এক গোপন স্থানে অবস্থান করে সরকারবিরোধী নানা তৎপরতায় যুক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর জমা দেওয়া এক লিখিত অভিযোগে রিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সেনাবাহিনীতে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণা, সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালানো, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ। শ্রীপুর থানায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
এছাড়া, ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় মাদকের একটি মামলায়ও রিয়ার নাম জড়িয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০ কেজি গাঁজাসহ আটক হওয়া তার ভাগ্নের ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় রিয়াকে অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। গুলশানের ভাটারা থানায়ও তার বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা চলমান রয়েছে।
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, রিয়া সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে গোপনে ভিডিও ধারণ করে তা দিয়ে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। একটি সুসংগঠিত চক্র এ কাজে তাকে সহায়তা করছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রিয়াকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক : 


















