০৫:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুবায়ের পন্থীরা সাদ পন্থীদের দেশের কোন স্থানে ইজতেমা না করার দাবি 

 মাওলানা জুবায়ের আহমেদের অনুসারিরা মাওলানা সাদপন্থি অনুসারীদের ঢাকা সহ টঙ্গী তুরাগ নদীর পাড়ে ইজতেমা না করার আহ্বান জানান। তাদের দাবি, সাদপন্থীরা  তাবলীগ জামাতের নামে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও আদতে তারা তাবলীগ নয়। তবে তাবলীগের এ দুই গ্রুপের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যার সমাধানে অন্তবর্তী সরকার আগামী এপ্রিল ২৪পর্যন্ত সময়  চেয়েছে বলে  জানিয়েছেন মাওলানা জোবায়ের   পন্থীরা।

গত রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, মাওলানা জুবায়ের পন্থীরা। ২০১৮ সালের ১লা ডিসেম্বর টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে  মাওলানা জোবায়ের  পন্থীদের উপর  মাওলানা সাদপন্থীদের  বর্বরচিত হামলার  বিচারের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, মুফতি আমানুল হক। লিখিত বক্তব্যে বলা হয় ৬ বছর আগে জুবায়ের পন্থীদের সাদপন্থীরা টঙ্গী তুরাগ নদীর পাড়ে ইজতেমা মাঠে হামলা চালিয়েছিল। উক্ত হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় মুখোমুখি করা সহ  বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায়  এনে শাস্তির দাবি করেন। 

উক্ত সংবাদ  সম্মেলন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, আল -মানহাল  মাদ্রাসার পরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক  মুফতি  কেফায়তুল্লাহ আজহারী। সংবাদ  সম্মেলনের সাংবাদিকদের  বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন, মাওলানা শাহরিয়ার মাহমুদ। এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হযরত মাওলানা লোকমান  আজহার  সাহেব , মুফতি মাসুদুল করিম, মুফতি বশির উল্লাহ করিম প্রমুখ। বক্তারা ১লা ডিসেম্বর এর  বর্বরচিত হামলার  তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রশাসনের (গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার  কথিত  বেলাল হোসেন) মদদে টঙ্গীর ইজতেমা  ময়দানে অবস্থিত জুবায়ের পন্থীদের  নামাজরত অবস্থায় লোহার রড দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়  যাতে বয়োবৃদ্ধ ও মাদ্রাসার কোমল মতির ছেলেরা আহত হয়। । প্রকাশ থাকে যে,  ১২ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টাদের সাথে জুবায়ের পন্থীদের ওলামা  মাসায়েকদের বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, তাবলীগ জামাতের দুটি  গ্রুপের  বিবদমান সমস্যার সমাধানে  এবছরের এপ্রিল মাসে  স্বরাষ্ট ও ধর্মীয় বিষয়কমন্ত্রণালয় এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন তবে আগের মত দুই পক্ষই আগের নিয়মে তাবলীগ জামাতের মারকাজ ( প্রধান কেন্দ্র) কাকরাইল মসজিদে থেকে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মাগুরায় বাঁশ ও কঞ্চির গৃহস্থালী সামগ্রী তৈরি করছেন-কার্তিক পোদ্দার

জুবায়ের পন্থীরা সাদ পন্থীদের দেশের কোন স্থানে ইজতেমা না করার দাবি 

Update Time : ০৯:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

 মাওলানা জুবায়ের আহমেদের অনুসারিরা মাওলানা সাদপন্থি অনুসারীদের ঢাকা সহ টঙ্গী তুরাগ নদীর পাড়ে ইজতেমা না করার আহ্বান জানান। তাদের দাবি, সাদপন্থীরা  তাবলীগ জামাতের নামে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও আদতে তারা তাবলীগ নয়। তবে তাবলীগের এ দুই গ্রুপের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যার সমাধানে অন্তবর্তী সরকার আগামী এপ্রিল ২৪পর্যন্ত সময়  চেয়েছে বলে  জানিয়েছেন মাওলানা জোবায়ের   পন্থীরা।

গত রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন, মাওলানা জুবায়ের পন্থীরা। ২০১৮ সালের ১লা ডিসেম্বর টঙ্গী ইজতেমা ময়দানে  মাওলানা জোবায়ের  পন্থীদের উপর  মাওলানা সাদপন্থীদের  বর্বরচিত হামলার  বিচারের দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, মুফতি আমানুল হক। লিখিত বক্তব্যে বলা হয় ৬ বছর আগে জুবায়ের পন্থীদের সাদপন্থীরা টঙ্গী তুরাগ নদীর পাড়ে ইজতেমা মাঠে হামলা চালিয়েছিল। উক্ত হামলায় জড়িতদের বিচারের আওতায় মুখোমুখি করা সহ  বিচার বিভাগীয় তদন্তের মাধ্যমে আইনের আওতায়  এনে শাস্তির দাবি করেন। 

উক্ত সংবাদ  সম্মেলন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, আল -মানহাল  মাদ্রাসার পরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের প্রচার সম্পাদক  মুফতি  কেফায়তুল্লাহ আজহারী। সংবাদ  সম্মেলনের সাংবাদিকদের  বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন, মাওলানা শাহরিয়ার মাহমুদ। এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হযরত মাওলানা লোকমান  আজহার  সাহেব , মুফতি মাসুদুল করিম, মুফতি বশির উল্লাহ করিম প্রমুখ। বক্তারা ১লা ডিসেম্বর এর  বর্বরচিত হামলার  তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রশাসনের (গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার  কথিত  বেলাল হোসেন) মদদে টঙ্গীর ইজতেমা  ময়দানে অবস্থিত জুবায়ের পন্থীদের  নামাজরত অবস্থায় লোহার রড দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়  যাতে বয়োবৃদ্ধ ও মাদ্রাসার কোমল মতির ছেলেরা আহত হয়। । প্রকাশ থাকে যে,  ১২ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টাদের সাথে জুবায়ের পন্থীদের ওলামা  মাসায়েকদের বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, তাবলীগ জামাতের দুটি  গ্রুপের  বিবদমান সমস্যার সমাধানে  এবছরের এপ্রিল মাসে  স্বরাষ্ট ও ধর্মীয় বিষয়কমন্ত্রণালয় এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন তবে আগের মত দুই পক্ষই আগের নিয়মে তাবলীগ জামাতের মারকাজ ( প্রধান কেন্দ্র) কাকরাইল মসজিদে থেকে টঙ্গী বিশ্ব ইজতেমার আয়োজন করবেন।