০৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এসআই আলতাফ হত্যা: প্রধান আসামি জহুরুল ৫ দিনের রিমান্ডে।

ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হ/ত্যা/র মামলায় প্রধান আসামি জহুরুল ইসলামের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকার আদালত এ আদেশ দেন।

সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে জহুরুলকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাকির আল আহসান।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, অজ্ঞাতনামা আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এসআই আলতাফ হোসেনকে হত্যা করে ম/র/দে/হ ফেলে রেখে চলে যায়। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্তকরণের লক্ষ্যে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা দিকে সাভারের আমিনবাজার বড়দেশি পশ্চিমপাড়ায় আবুল কালাম আজাদের অটোরিক্সা গ্যারেজের সামনে এক ব্যক্তির অটো রাখাকে কেন্দ্র করে তর্কাতর্কি হয়। সেই তর্কাতর্কি থামাতে গিয়ে আসামিদের তোপের মুখে পড়েন পুলিশ সদস্য মো. আলতাব হোসেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি তার ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘গ্র্যান্ড ফ্যাশন’-এ আশ্রয় নিলে রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আসামিরা দেশীয় অ/স্ত্র/শ/স্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে হামলা চালায়। এরপর আসামিরা আলতাব হোসেনকে রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পি/টি/য়ে গুরুতর জ/খ/ম করে। তাকে বাঁচাতে এলে তার ছেলে আরিফুল ইসলামকেও ধারালো অ/স্ত্র দিয়ে কু/পি/য়ে আ/হ/ত করা হয়।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি এবং ক্যাশ বাক্স থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা চুরি করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলতাব হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তার ছেলেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় আলতাব হোসেনের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার থানায় হ/ত্যা মামলাটি করেন। মামলায় ১৫ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

আলফাডাঙ্গায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় এনামুল শেখ গ্রেপ্তার

এসআই আলতাফ হত্যা: প্রধান আসামি জহুরুল ৫ দিনের রিমান্ডে।

Update Time : ০৬:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) উপপরিদর্শক (এসআই) আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হ/ত্যা/র মামলায় প্রধান আসামি জহুরুল ইসলামের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়েশা সিদ্দিকার আদালত এ আদেশ দেন।

সাভার মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে জহুরুলকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. জাকির আল আহসান।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, অজ্ঞাতনামা আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে এসআই আলতাফ হোসেনকে হত্যা করে ম/র/দে/হ ফেলে রেখে চলে যায়। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত, ঘটনার মূল রহস্য উদঘাটন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র-শস্ত্র উদ্ধার এবং জড়িতদের শনাক্তকরণের লক্ষ্যে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা দিকে সাভারের আমিনবাজার বড়দেশি পশ্চিমপাড়ায় আবুল কালাম আজাদের অটোরিক্সা গ্যারেজের সামনে এক ব্যক্তির অটো রাখাকে কেন্দ্র করে তর্কাতর্কি হয়। সেই তর্কাতর্কি থামাতে গিয়ে আসামিদের তোপের মুখে পড়েন পুলিশ সদস্য মো. আলতাব হোসেন। প্রাণ বাঁচাতে তিনি তার ছেলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘গ্র্যান্ড ফ্যাশন’-এ আশ্রয় নিলে রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে আসামিরা দেশীয় অ/স্ত্র/শ/স্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে হামলা চালায়। এরপর আসামিরা আলতাব হোসেনকে রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পি/টি/য়ে গুরুতর জ/খ/ম করে। তাকে বাঁচাতে এলে তার ছেলে আরিফুল ইসলামকেও ধারালো অ/স্ত্র দিয়ে কু/পি/য়ে আ/হ/ত করা হয়।

এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি এবং ক্যাশ বাক্স থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা চুরি করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলতাব হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তার ছেলেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়। ওই ঘটনায় আলতাব হোসেনের স্ত্রী মোছা. শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার থানায় হ/ত্যা মামলাটি করেন। মামলায় ১৫ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়।