ফরিদপুরের মধুখালীতে ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল দশটা হতে দিনব্যাপী আইনউদ্দীন কলেজের হলরুমে, ” যুক্তির দীপ্তিতে উন্মোচিত হোক চিন্তার দিগন্ত” এই স্লোগানকে ধারণ করে হয়ে গেল ২য় আন্তঃকলেজ ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতা।তুমুল এই প্রতিযোগিতামূলক, জাঁকজমকপূর্ণ বিতর্ক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় ৮টি দল। উক্ত এই বিতর্ক উৎসব আয়োজন করেছে সরকারি আইনউদ্দিন কলেজ, মধুখালী, ফরিদপুর। অংশগ্রহণকারী ৮টি
কলেজের মধ্যে সরকারি আইনদ্দীন কলেজ ও ফরিদপুর রাজেন্দ্র কলেজ ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়।
সরকারি আইনউদ্দীন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রদীপ কুমার সরকারের সভাপতিত্বে, ছায়া সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রভাষক আব্দুল জলিল।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সরকারি আইনউদ্দীন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শেখ হাফিজুল হক, সহকারী অধ্যাপক সামছুল আলম,সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রহমান ও প্রভাষক রফিকুল ইসলাম ।
“ইচ্ছা শক্তিই পরীক্ষায় পাস করার জন্য যথেষ্ট” -এই বিষয়ের উপরে, ছায়া সংসদে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন সরকারি এবং বিরোধী দল।
আইনউদ্দীন কলেজের শিক্ষার্থী,সরকারি দলের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন জারিয়া আলম, মন্ত্রী হিসেবে ইমন সেখ ও সংসদ সদস্য মোঃ স্বাধীন মোল্লা।
এছাড়া রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থী বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইসরাত আরা সেজ্যেতি, উপনেতা তাজবীর সিনহা, সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম শুভ।
দুটি দল তাদের সাবলীল গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন।
তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক বিতর্ক উৎসবের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সরকারি আইনউদ্দীন কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো: জহুরুল ইসলাম, প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল আমিন, প্রভাষক আব্দুল জলিল, প্রভাষক মুহম্মদ নাহিদুল ইসলাম।
এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সরকারি আইনউদ্দীন কলেজ বিজয়ী হবার গৌরব অর্জন করে। এছাড়া শ্রেষ্ঠ বক্তা হিসেবে নির্বাচিত হন বিরোধী দলীয় নেতা ইসরাত আরা সেজ্যেতি।
অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি সরকারি আইনউদ্দীন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সন্জয় কুমার বালা।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে সনদপত্র প্রদান করা হয়।
শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক,সাংবাদিক ও সুধীজন
অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেছেন।
পার্থ রায়- মধুখালী উপজেলা প্রতিনিধি 


















