মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় অবস্থিত বেংরোয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টিকে নিজস্ব ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিণত করেছেন বিদ্যালয়টির দায়িত্বরত সহকারী শিক্ষক মোঃ রাকিব হোসেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, সকাল ১০ টায় বিদ্যালয়টিতে প্রাইভেট ব্যবসা পরিচালনা করছেন বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক মোঃ রাকিব হোসেন। তার প্রাইভেট ব্যবসার কাছে জিম্মি ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে জানা যায়, তারা অত্র বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রী। তারা নিয়মিত বছরের শুরু থেকেই পড়ে। তার কাছে প্রাইভেট পড়তে হলে প্রতি ছাত্র-ছাত্রীকে প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে মাসিক বেতন গুনতে হয়।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ রাকিব হোসেন জানান, আমি ছাত্র-ছাত্রীদের সুবিধার জন্যই তাদেরকে আলাদা ভাবে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে স্পেশাল পাঠদান করে থাকি। কিন্তু ক্লাস টাইমে বিদ্যালয়ের ভেতরে টাকার বিনিময়ে কেন পড়ানো হচ্ছে তার কোন উওর দিতে পারেন নি।
জানা যায়, সরকারি ভবন ব্যবহার করে তিনি এই প্রাইভেট ব্যবসা করে ব্যাপক ভাবে সফল বানিজ্য করে যাচ্ছেন। তার এই ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মোঃ জুয়েল শিকদার।
এ বিষয়ে সুশীল সমাজ দাবি করেন, এই অসাধু শিক্ষককে অতি তাড়াতাড়ি আইনের আওতায় না আনলে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সঠিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।
এ বিষয়ে, এক অভিভাবক জানান, রাকিব মাষ্টার একদিকে সরকারি বেতন নিচ্ছে আবার তার অফিস টাইমেই স্কুল ভবন দখল করে প্রাইভেট ব্যবসা করে বাড়তি টাকা ইনকাম করছে। এতে সে সরকারের সাথে ও প্রতারণা করে যাচ্ছে।
আবার লক্ষ্য করা যায়, বিদ্যালয়টিতে সঠিক সময়ে ক্লাস ও শুরু হয় না। বিদ্যালয়টির ছাত্র-ছাত্রীও তাদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু হয় ৯টা ৩০ মিনিটের পরে। বিদয়ালয়টিতে গিয়ে এ বিষয়ের সত্যতা পাওয়া যায়।
সাটুরিয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার প্রতুল চন্দ্র সরকার জানান, বিদ্যালয়ের ভিতেরে স্কুল টাইমে তো দূরের কথা স্কুল সময়ের আগে বা পড়েও বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় প্রাইভেট পড়ানো যাবে না। এই অসাধু প্রাইভেট ব্যবসায়ী শিক্ষকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান।
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : 
















