০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফরিদপুরের মধুখালী পৌর এলাকায় ভাটিকান্দি মথুরাপুর কেতুর মোড় নাম করণের ইতি কথা

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:২৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫
  • ২২২২ Time View

বিশ্বজিৎ সিংহ রায়।।
ফরিদপুরের মধুখালী পৌর এলাকায় অবস্থিত ভাটিকান্দি মথুরাপুর রায়বাড়ী কেতুর মোড় নাম করণের ইতিকথা।
তৎকালীন সময়ে সুকুর সিংহ রায় (৪৯) নামের ভাটিকান্দি মথুরাপুর গ্রামের এক ব্যক্তি তার নিজ জমির উপর প্রথমে একটি চায়ের দোকান স্থাপন করেন।তার পর থেকে ওই রাস্তার মোড়ে দোকান পাট জনবহল ভাবে গড়ে উঠে।কিছু দিন পরে চায়ের দোকানটি সুকুমার ভাড়া দিয়ে দেন।
পরবর্তীতে তার চাচাতো ভাই সুনিল সিংহ রায় ( কেতু)
তার জমির উপরে তৈরী করেন একটি মুদি ও চায়ের দোকান।এর পর থেকে এখানে বর্তমানে ১৫ টি দোকান নিয়োমিত ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে স্থানীয়রা জানান।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০ টা পর্ষন্ত ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।এছাড়া রাস্তার দুপাশে বসে নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট ছোট দোকান।
এখানে ৮টি গ্রামের নারী-পুরুষ বিভিন্ন মালামাল কেনাকাটা করতে আসেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

বালিয়াকান্দিতে আদালতে বিচারাধীন জমিতে ভবন নির্মাণের অভিযোগ, থানায় লিখিত আবেদন

ফরিদপুরের মধুখালী পৌর এলাকায় ভাটিকান্দি মথুরাপুর কেতুর মোড় নাম করণের ইতি কথা

Update Time : ০৮:২৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ মে ২০২৫

বিশ্বজিৎ সিংহ রায়।।
ফরিদপুরের মধুখালী পৌর এলাকায় অবস্থিত ভাটিকান্দি মথুরাপুর রায়বাড়ী কেতুর মোড় নাম করণের ইতিকথা।
তৎকালীন সময়ে সুকুর সিংহ রায় (৪৯) নামের ভাটিকান্দি মথুরাপুর গ্রামের এক ব্যক্তি তার নিজ জমির উপর প্রথমে একটি চায়ের দোকান স্থাপন করেন।তার পর থেকে ওই রাস্তার মোড়ে দোকান পাট জনবহল ভাবে গড়ে উঠে।কিছু দিন পরে চায়ের দোকানটি সুকুমার ভাড়া দিয়ে দেন।
পরবর্তীতে তার চাচাতো ভাই সুনিল সিংহ রায় ( কেতু)
তার জমির উপরে তৈরী করেন একটি মুদি ও চায়ের দোকান।এর পর থেকে এখানে বর্তমানে ১৫ টি দোকান নিয়োমিত ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে স্থানীয়রা জানান।
প্রতিদিন সকাল থেকে রাত ১০ টা পর্ষন্ত ক্রেতাদের ভিড় দেখা যায়।এছাড়া রাস্তার দুপাশে বসে নিত্য প্রয়োজনীয় ছোট ছোট দোকান।
এখানে ৮টি গ্রামের নারী-পুরুষ বিভিন্ন মালামাল কেনাকাটা করতে আসেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।