মানিকগঞ্জের শিবালয়ে ঢাকা-পাটুরিয়া মহাসড়কে প্রাণঘাতি সেলফি বাস বন্ধের দাবিতে বুধবার দুপুরে মানববন্ধ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন। এলাকাবীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করা স্কুল ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী ।
স্থানীয়রা জানান,গত সোমবার দুপুরে উপজেলার গান্দাইল গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে ও তেওতা একাডেমীর দশম শ্রেণীর ছাত্র রিয়াদ হোসেন রেজা নামের এক ছাত্র বেড়ানোর জন্য মোটরসাইকেল যোগে পাটুরিয়া ঘাট পদ্মা রিভারভিউ যাওয়ার সময়। পাটুরিয়া পদ্মা রিভারভিউ কাছে আরসি এলের মোড়ে আসলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পিছন দিকে একটি সেলফি বাস তাকে চাপা দিলে সে ঘটনার স্থলেই নিহত হয়।
এ সড়ক দুঘর্টনার প্রতিবাদে এলাকাবাসী উপজেলার উথলী সংযোগ মোড়ে ঢাকা-পাটুরিয়া মহাসড়কে সেলফি বাস বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন। সড়ক দুঘটনায় নিহত রিয়াদের বাবা রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মানিকগঞ্জ জেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি ও দৌলতপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হক তোজা, উপজেলা সাবেক বিএনপি নেতা আব্বাস আলী, তেওতা একাডেমীর সহকারি শিক্ষক নজরুল ইসলাম, সহকারি শিক্ষক অনিক রায়, শাহিনুর রহমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, প্রাণঘাতি সেলফি বাস বন্ধ না করা হলে আবারও বিভিন্ন কর্মসুচি দেওয়া হবে।
পাটুরিয়া সেলফি বাসের ঘাট সুপারভাইজার সুলতাল আহম্মেদ বলেন, প্রতিদিন পাটুরিয়া-ঢাকা মহাসড়কে ২শ’ ৮০টি বাস চলাচল করে। ৬ মিনিট পর পর সেলফি বাস ঢাকার উদেশ্যে ছেড়ে যায়।
বরংগাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ওসি মোতাফিজুর রহমান বলেন, সেলফি বাসের বিভিন্ন অনিয়মের কারনে গত ৪ মাসে প্রায় এক হাজার মামলা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা পাটুরিয়া সড়কে সেলফি বাস পাল্লপাল্লি করে চলাচল করার কারনে অহরহ দুঘর্টনা ঘটছে। প্রতি মাসে গড়ে ৪-৫টি করে দুঘর্টনা ঘটছে সেলফি বাসে। এ বাসটি এখন যাত্রীদের প্রাণঘাতি বাস হিসেবে পরিনত হয়েছে।
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : 



















