০৪:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতির পথে প্রধান বাধা নেতানিয়াহু, অভিযোগ হামাসের

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাত নিরসনে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হলেও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে হামাস। সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ নেতা মাহমুদ মারদাবি বলেন, নেতানিয়াহু একাধিক ‘অসম্ভব শর্ত’ আরোপ করে আলোচনা জটিল করে তুলছেন।

মারদাবির বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু পূর্বে যেসব প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছিলেন, এখন সেগুলো থেকেও সরে দাঁড়াচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহুর প্রকৃত উদ্দেশ্যই যুদ্ধবিরতি নয়, বরং আলোচনা বিলম্বিত করা।

টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বার্তায় মারদাবি প্রশ্ন তোলেন, নেতানিয়াহুর আদৌ জিম্মিদের মুক্ত করার ইচ্ছা আছে কিনা। তিনি বলেন, “যুদ্ধবিরতির এক ধাপে মাত্র ১০ জন জিম্মি ছাড়িয়ে নেওয়ার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখিয়েছেন নেতানিয়াহু। তিনি চান না সব জিম্মি একসঙ্গে মুক্ত হোক।”

তিনি আরও বলেন, “নেতানিয়াহু মিথ্যা বলছেন—তিনি বলছেন তিনি জিম্মিদের নাম নির্বাচনে জড়িত নন, অথচ বাস্তবে তিনিই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি কোনো সমঝোতায় আগ্রহী নন।”

এদিকে, রোববার (২৯ জুন) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরোক্ষভাবে ইসরাইলকে দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, “গাজায় চুক্তি করুন। জিম্মিদের ফিরিয়ে আনুন।”

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন চাপ বাড়লেও নেতানিয়াহুর অনড় অবস্থানের কারণে যুদ্ধবিরতির পথ এখনও অনিশ্চিত।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মাগুরায় বাঁশ ও কঞ্চির গৃহস্থালী সামগ্রী তৈরি করছেন-কার্তিক পোদ্দার

যুদ্ধবিরতির পথে প্রধান বাধা নেতানিয়াহু, অভিযোগ হামাসের

Update Time : ০৮:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ জুন ২০২৫

গাজা উপত্যকায় চলমান সংঘাত নিরসনে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হলেও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তাতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে হামাস। সংগঠনটির জ্যেষ্ঠ নেতা মাহমুদ মারদাবি বলেন, নেতানিয়াহু একাধিক ‘অসম্ভব শর্ত’ আরোপ করে আলোচনা জটিল করে তুলছেন।

মারদাবির বরাত দিয়ে আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু পূর্বে যেসব প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছিলেন, এখন সেগুলো থেকেও সরে দাঁড়াচ্ছেন। তিনি দাবি করেন, নেতানিয়াহুর প্রকৃত উদ্দেশ্যই যুদ্ধবিরতি নয়, বরং আলোচনা বিলম্বিত করা।

টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বার্তায় মারদাবি প্রশ্ন তোলেন, নেতানিয়াহুর আদৌ জিম্মিদের মুক্ত করার ইচ্ছা আছে কিনা। তিনি বলেন, “যুদ্ধবিরতির এক ধাপে মাত্র ১০ জন জিম্মি ছাড়িয়ে নেওয়ার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখিয়েছেন নেতানিয়াহু। তিনি চান না সব জিম্মি একসঙ্গে মুক্ত হোক।”

তিনি আরও বলেন, “নেতানিয়াহু মিথ্যা বলছেন—তিনি বলছেন তিনি জিম্মিদের নাম নির্বাচনে জড়িত নন, অথচ বাস্তবে তিনিই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি কোনো সমঝোতায় আগ্রহী নন।”

এদিকে, রোববার (২৯ জুন) ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরোক্ষভাবে ইসরাইলকে দ্রুত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি লেখেন, “গাজায় চুক্তি করুন। জিম্মিদের ফিরিয়ে আনুন।”

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন চাপ বাড়লেও নেতানিয়াহুর অনড় অবস্থানের কারণে যুদ্ধবিরতির পথ এখনও অনিশ্চিত।