১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহম্মদপুরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের চার দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা শুরু


‘বই কিনুন, বই পড়ুন, আলোকিত হন, প্রিয়জনকে বই উপহার দিন’-এই বার্তা নিয়ে মাগুরার মহম্মদপুরে শুরু হয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের চার দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা।
​শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১২টায় মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন চত্বরে ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এই মেলার আয়োজন করে।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রী ও অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা বলেন, “বই কিনে কেউ কোনোদিন দেউলিয়া হয় না। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে পাঠ্যবই বা মূল বই পড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। শর্টকাট উপায়ে পরীক্ষায় পাস করাই যেন অনেকের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে আলোকিত মানুষ হতে হলে পাঠ অভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। প্রযুক্তির এ যুগে তরুণ প্রজন্মকে বইমুখী করতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এই ভ্রাম্যমাণ বইমেলা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ও সাবেক অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মইমূর আলী মৃধা, কাজী সালিমা হক মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. এম. এম. রইছ উদ্দিন, আমিনুর রহমান কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক ও সাহিত্যিক মোঃ ওসমান আলী এবং কবি, লেখক ও সাপ্তাহিক মহম্মদপুর বার্তার সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ মিল্টন।

​অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ বইমেলার ইউনিট ইনচার্জ অমিত চক্রবর্তী।
​আয়োজকরা জানান, শনিবার শুরু হওয়া এই বইমেলা আগামী ১১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নিজস্ব প্রকাশনাসহ দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজারের বেশি বই প্রদর্শনী ও বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে। প্রদর্শনীতে গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, ইতিহাস, ধর্ম, সায়েন্স ফিকশন ও শিশুতোষ হরেক রকমের বই স্থান পেয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

Popular Post

মহম্মদপুরে মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ও আবাদি জমি

মহম্মদপুরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের চার দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা শুরু

Update Time : ০৬:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬


‘বই কিনুন, বই পড়ুন, আলোকিত হন, প্রিয়জনকে বই উপহার দিন’-এই বার্তা নিয়ে মাগুরার মহম্মদপুরে শুরু হয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের চার দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা।
​শনিবার (৮ আগস্ট) বেলা ১২টায় মহম্মদপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন চত্বরে ফিতা কেটে মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বেদবতী মিস্ত্রী। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং মেটলাইফ ফাউন্ডেশনের সহায়তায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র এই মেলার আয়োজন করে।

​উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউএনও বেদবতী মিস্ত্রী ও অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা বলেন, “বই কিনে কেউ কোনোদিন দেউলিয়া হয় না। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে পাঠ্যবই বা মূল বই পড়ার প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাচ্ছে। শর্টকাট উপায়ে পরীক্ষায় পাস করাই যেন অনেকের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে আলোকিত মানুষ হতে হলে পাঠ অভ্যাসের কোনো বিকল্প নেই। প্রযুক্তির এ যুগে তরুণ প্রজন্মকে বইমুখী করতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের এই ভ্রাম্যমাণ বইমেলা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিলেন-উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার ও সাবেক অধ্যক্ষ মতিউর রহমান, মহম্মদপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মইমূর আলী মৃধা, কাজী সালিমা হক মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ড. এম. এম. রইছ উদ্দিন, আমিনুর রহমান কলেজের অবসরপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক ও সাহিত্যিক মোঃ ওসমান আলী এবং কবি, লেখক ও সাপ্তাহিক মহম্মদপুর বার্তার সম্পাদক সালাহউদ্দিন আহমেদ মিল্টন।

​অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ বইমেলার ইউনিট ইনচার্জ অমিত চক্রবর্তী।
​আয়োজকরা জানান, শনিবার শুরু হওয়া এই বইমেলা আগামী ১১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। মেলায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নিজস্ব প্রকাশনাসহ দেশ-বিদেশের খ্যাতিমান প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের ১০ হাজারের বেশি বই প্রদর্শনী ও বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে। প্রদর্শনীতে গল্প, উপন্যাস, কবিতা, প্রবন্ধ, ইতিহাস, ধর্ম, সায়েন্স ফিকশন ও শিশুতোষ হরেক রকমের বই স্থান পেয়েছে।